32 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষামহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি ও অনুষ্ঠানসূচি সম্পন্ন

মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি ও অনুষ্ঠানসূচি সম্পন্ন

আগামীকাল, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং মহান শহীদ দিবস একসাথে পালিত হবে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ৭৪তম বার্ষিকী এই দিনটি চিহ্নিত করে, এবং দেশের সর্বত্র যথাযথ সম্মানসূচক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই দিনটির জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পতাকা অর্ধনমিতে রাখা, সভা-সেমিনার আয়োজন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এই মুহূর্তে শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং সাধারণ জনগণ একত্রে শোক প্রকাশ করবে এবং ভাষা শহীদের স্মরণে একতা বজায় রাখবে।

সকালবেলায়, কালো ব্যাজ পরিধান করে প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদের সমাধিতে ফুল অর্পণ এবং শ্রদ্ধা জানানো হবে। এই প্রথা ভাষা শহীদের আত্মত্যাগকে স্মরণে রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রাজধানী জুড়ে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, নাটক ও চিত্রপ্রদর্শনীসহ নানা কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গবেষণা কেন্দ্র এবং সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলো এই দিনকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে।

ইউনেসকো কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে এই দিনটি বিশ্বব্যাপী উচ্চ মর্যাদায় পালন করা হয়। তাই বাংলাদেশে এই দিনটি জাতীয় গর্বের সঙ্গে উদযাপিত হয় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

বাঙালি জাতির জন্য এই দিনটি দু’ধরনের অনুভূতি বহন করে: একদিকে শোক ও বেদনা, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধিকার অর্জনের জন্য ত্যাগের গৌরব। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে আসে।

পুলিশের গুলিবর্ষণে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিকসহ অনেক নামহীন শহীদ শহরে গিয়ে পড়ে। তাদের আত্মত্যাগ আজ ভাষা অধিকার ও সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসনের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।

একুশে ফেব্রুয়ারি সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ও অর্ধ-সরকারি অফিস, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সংস্থায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতে রাখা হবে এবং কর্মচারীরা শোকের পরিবেশে কাজ করবেন।

আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ এবং কোরআনখানির আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সমবেত শোক প্রকাশ পায়।

বিএসই, বিটিভি এবং অন্যান্য স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে, এবং দৈনিক পত্রিকাগুলোতে ভাষা শহীদের স্মরণে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। মিডিয়া এই দিনটির গুরুত্ব বাড়াতে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কভারেজ দেবে।

শিক্ষা ও সংস্কৃতির দৃষ্টিকোণ থেকে, এই দিনটি তরুণ প্রজন্মকে ভাষা সংরক্ষণ ও গর্বের শিক্ষা দেয়। আপনি কি আপনার বিদ্যালয় বা কর্মস্থলে ভাষা দিবসের কোনো বিশেষ কার্যক্রম পরিকল্পনা করছেন? আপনার মতামত শেয়ার করুন এবং ভাষা সংরক্ষণের জন্য ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments