28 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিট্রাম্পের দাবি: ২০০ শতাংশ শুল্ক হুমকি দিয়ে ভারত এ‑পাকিস্তান যুদ্ধ থামানো

ট্রাম্পের দাবি: ২০০ শতাংশ শুল্ক হুমকি দিয়ে ভারত এ‑পাকিস্তান যুদ্ধ থামানো

মার্চের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি দিয়ে ভারত এ ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান যুদ্ধকে থামিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি এই বক্তব্য টুইটের মাধ্যমে প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে তার হস্তক্ষেপের ফলে দুই দেশের সামরিক সংঘর্ষ অবিলম্বে বন্ধ হয়েছে।

এছাড়াও, ১১ ফেব্রুয়ারি ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প একই রকম দাবি করেন। তিনি বলেন, তার মেয়াদে মোট আটটি যুদ্ধ সমাপ্ত হয়েছে, যার মধ্যে ছয়টি শুল্কের ভয়ে শেষ হয়েছে। এই মন্তব্যগুলোতে তিনি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তার ভূমিকা তুলে ধরতে চেয়েছেন।

ট্রাম্পের মন্তব্যে ভারত এ‑পাকিস্তান সম্পর্কের অবস্থা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ তখন পারমাণবিক যুদ্ধের প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল এবং দশটি বিমান ভূপাতিত হয়েছিল। এই তথ্যগুলোকে ভিত্তি করে তিনি বলেছিলেন, শুল্কের হুমকি ছাড়া কোনো সমঝোতা সম্ভব হতো না।

পূর্ববর্তী বছর মে মাসে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা শীর্ষে পৌঁছায়। পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভারত এ ২৬ জুলাই অপারেশন সিঁদুর চালায়, যার পর ৭ মে পেহেলগামে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। এই ঘটনার পর দুই দেশের আকাশপথে সরাসরি সংঘাত শুরু হয়।

অভিযান সিঁদুরের পরপরই বিমানবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক হামলা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে উভয় পক্ষের কয়েকটি যোদ্ধা বিমান ধ্বংস হয়। এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টিতে দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

মে ১০ তারিখে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেন, তার হস্তক্ষেপের ফলে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তার উদ্যোগের ফলে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষই শুল্কের হুমকি গ্রহণ করে।

এরপর থেকে ট্রাম্প প্রায় ৮১ বার একই সাফল্যের কথা পুনরাবৃত্তি করেন। তবে, দিল্লি ভিত্তিক ভারত এ সরকারের মুখপাত্র এই দাবিগুলোকে অতিরঞ্জিত বলে প্রত্যাখ্যান করেন এবং উল্লেখ করেন, কোনো স্বাধীন যাচাইয়ের প্রমাণ নেই যে শুল্কের হুমকি সরাসরি যুদ্ধ থামাতে সক্ষম হয়েছে।

ট্রাম্পের এই ধারাবাহিক দাবি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকরা এখনো স্পষ্টভাবে মন্তব্য করেননি যে শুল্কের হুমকি বাস্তবে কোনো কূটনৈতিক সমঝোতার অংশ ছিল কি না, তবে ভবিষ্যতে ভারত এ ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মিথস্ক্রিয়ায় এই বিষয়টি আলোচনার বিষয় হতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments