20 C
Dhaka
Friday, February 20, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাকেল্টিকের ইউরোপা লীগ প্রথম লেগে স্টুটগার্টের ওপর বড় পরাজয়, এল খানুসের দু'গোল...

কেল্টিকের ইউরোপা লীগ প্রথম লেগে স্টুটগার্টের ওপর বড় পরাজয়, এল খানুসের দু’গোল দলকে রাউট করে

গ্লাসগোর কেল্টিক পার্কে অনুষ্ঠিত ইউরোপা লীগ প্লে-অফের প্রথম লেগে কেল্টিকের ১,০০০তম ব্যবস্থাপনা ম্যাচের সঙ্গে সঙ্গে স্টুটগার্টের ওপর কঠোর পরাজয় ঘটেছে। জার্মান দলটি এল খানুসের দু’গোলের মাধ্যমে ম্যাচের 흐রণে আধিপত্য বিস্তার করে, ফলে কেল্টিকের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়।

ম্যাচের সূচনা মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সমর্থকদের টেনিস বল ছুঁড়ে ফেলা হয়, যা ক্লাবের বোর্ডের প্রতি অসন্তোষের প্রকাশ। এই প্রতিবাদে খেলা প্রায় তিন মিনিটের জন্য থেমে যায়, এবং ইউইফএ এই ধরনের বিলম্বকে কঠোরভাবে দেখার সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে। যদিও প্রতিবাদটি অর্ধেক হৃদয়গ্রাহী ছিল, তবে ম্যাচের শুরুর পরিবেশে তা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে।

স্টুটগার্টের আক্রমণাত্মক খেলায় এল খানুসের দু’গোলই প্রধান হাইলাইট হয়ে ওঠে। তার প্রথম গোলটি দ্রুতই কেল্টিকের রক্ষণকে ধ্বংস করে, আর দ্বিতীয়টি দলকে সম্পূর্ণ রাউটের পথে নিয়ে যায়। ম্যাচ চলাকালে স্টুটগার্টের আরও বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত স্কোরে যোগ না হলেও দলটির আক্রমণাত্মক ক্ষমতা স্পষ্ট করে।

কেল্টিকের রক্ষণে দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি আবারও প্রকাশ পায়। গার্ডেনার কাসপার শ্মেইচেল, যিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য দলের প্রধান গোলরক্ষক, ধারাবাহিকভাবে ভুল করে দলের নিরাপত্তা হ্রাস করে। শ্মেইচেলের এই দুর্বল পারফরম্যান্সের ফলে কেল্টিকের গোল রক্ষার দায়িত্বে বড় প্রশ্ন উঠেছে, এবং তার পরিবর্তনের দাবি পূর্বে থেকেই শোনা যায়।

কোচ মার্টিন ও’নিল, ৭৩ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপক, স্টুটগার্টের ম্যাচকে সিজনের সবচেয়ে কঠিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দলের জন্য এই ম্যাচকে বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং বলে বর্ণনা করেন, যা কেল্টিকের বর্তমান অবস্থার কঠিনতা তুলে ধরে। ও’নিলের এই মন্তব্যগুলো ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।

কেল্টিকের অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখনো অস্থির, যেখানে বোর্ডের সিদ্ধান্তে সমর্থকদের অসন্তোষ স্পষ্ট। টেনিস বলের প্রতিবাদই এই বিভাজনের একটি উদাহরণ, যা ক্লাবের পরিচালনা ও খেলোয়াড়দের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। ও’নিলের নেতৃত্বে ক্লাবটি এখনো একত্রে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, তবে তার বয়স ও অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলো সহজ নয়।

স্টুটগার্টের সাম্প্রতিক ফর্মও প্রশংসনীয়। তারা ডান্ডি, লিভিংস্টন এবং কিলমার্নককে পরাজিত করে ইউরোপা লীগে আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। এই ধারাবাহিক জয়গুলো দলকে এই মৌসুমের সম্ভাব্য প্রার্থীর শিরোপা দৌড়ে স্থান দিয়েছে, এবং প্রথম লেগে তাদের আধিপত্য কেল্টিকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

এক বছর আগে কেল্টিক বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল, যা এখনো স্মরণীয়। তবে বর্তমান সময়ে ক্লাবের পারফরম্যান্সে তীব্র পতন দেখা যায়, বিশেষ করে ইউরোপীয় পর্যায়ে। স্টুটগার্টের বিরুদ্ধে এই পরাজয় কেল্টিকের জন্য পুনর্গঠন ও কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে।

পরবর্তী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে রিটার্ন লেগ, যেখানে কেল্টিকের জন্য কাজটি আরও কঠিন হবে। স্টুটগার্টের প্রথম লেগের সাফল্য এবং শেষ ১৬-এ স্থান নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, কেল্টিককে বড় পার্থক্য তৈরি করতে হবে। এই ম্যাচটি কেল্টিকের ইউরোপা লীগ যাত্রার শেষের দিকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ম্যাচের মূল বিষয়গুলো সংক্ষেপে বলা যায়: স্টুটগার্টের এল খানুসের দু’গোল, কেল্টিকের রক্ষণে শ্মেইচেলের ধারাবাহিক ভুল, সমর্থকদের টেনিস বলের প্রতিবাদ এবং ও’নিলের কঠিন ম্যাচের মন্তব্য। এই সব উপাদান একত্রে কেল্টিকের ইউরোপা লীগ ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে, এবং রিটার্ন লেগের ফলাফলই শেষ সিদ্ধান্ত দেবে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments