বাংলাদেশ সরকারের গৃহ মন্ত্রী সালাহুদ্দিন আহমেদ আজ গৃহ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারিয়েটের কনফারেন্স রুমে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত বৈঠকে সংস্কার ও নৈতিক মানদণ্ডের উন্নয়নের পরিকল্পনা জানিয়েছেন।
বৈঠকে তিনি গৃহ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা এবং নৈতিক মানদণ্ডকে শক্তিশালী করা জরুরি বলে জোর দিয়ে বলেছেন, যাতে জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করা যায়।
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ নিয়োগ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুমোদন নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
নতুন কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়ে গৃহ মন্ত্রণালয় এই কাজটি সম্পন্ন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
বৈঠকের সময় প্রায় দশ মিনিট ছিল এবং পরবর্তী সেশনটি সোমবার সকালেই নির্ধারিত হয়েছে, যা বিষয়টির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।
মন্ত্রীর মতে, প্রায় এক দশক ও অর্ধেকের পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে গৃহিত রাজনৈতিক সরকার এখন জনগণের উচ্চ প্রত্যাশার মুখোমুখি।
এই প্রত্যাশা পূরণে তারা দ্রুতই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চায়, যা সরকারের নীতি ও কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংস্কার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, জনমতের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রথমে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা দরকার।
সময়োপযোগী উন্নয়নের জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা প্রণয়ন অপরিহার্য, তাই তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদেরকে প্রস্তাবনা ও সুপারিশ প্রস্তুত করে উপস্থাপন করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে গৃহ সচিব (রুটিন চার্জ) মো. দিলওয়ার হোসেন, পুলিশ প্রধান ইন্সপেক্টর জেনারেল বাহারুল আলম, বিভাগীয় প্রধান, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট শাখার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে প্রস্তাবিত পরিকল্পনা গৃহ মন্ত্রণালয়ের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ও কর্মশক্তি নিশ্চিত করা হবে।
পরবর্তী সেশনে এই প্রস্তাবনাগুলোর বিশদ আলোচনা হবে, যা গৃহ মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা ও জনসেবার মানোন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।



