30 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধজানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনা, ৪৮৭ জন নিহত, ৫৭ শিশু সহ

জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে ৫৫৯ সড়ক দুর্ঘটনা, ৪৮৭ জন নিহত, ৫৭ শিশু সহ

বাংলাদেশে জানুয়ারি মাসে মোট ৫৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ৪৮৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ সংখ্যার মধ্যে ৫৭ শিশুও অন্তর্ভুক্ত, যা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন (RSF) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা ১,১৯৪, এবং মৃতের মধ্যে ৬৮ নারীও ছিলেন। মোট মৃতের মধ্যে ৪৮৭ জনের পাশাপাশি ১,১৯৪ জনের গুরুতর আঘাতের তথ্যও একই প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

মোটামুটি ৪০.২৪ শতাংশ মৃত্যুর কারণ ছিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, যেখানে ২০৮টি ঘটনার মধ্যে ১৯৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। মোট দুর্ঘটনার ৩৭.২০ শতাংশই মোটরসাইকেল সংক্রান্ত, যা সড়ক নিরাপত্তা সমস্যার প্রধান দিক নির্দেশ করে।

পদচারী দুর্ঘটনায় ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা মোট মৃত্যুর ২৭.১০ শতাংশ গঠন করে। চালক ও সহচালকের মৃত্যুর সংখ্যা ৬৭, যা ১৩.৭৫ শতাংশের সমান।

সেই সময়ে চারটি জলপথ দুর্ঘটনা ঘটায় ছয়জনের মৃত্যু এবং সাতজনের আঘাত। রেলপথে ৪১টি দুর্ঘটনা রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে ৩২ জনের প্রাণ চলে যায় এবং ১৭ জন আহত হয়।

RSF এই বিশ্লেষণটি নয়টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন পোর্টাল, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব ডেটার সমন্বয়ে প্রস্তুত করেছে। ফলে তথ্যের ব্যাপকতা ও বৈচিত্র্য নিশ্চিত হয়েছে।

মোটরসাইকেল চালক ও যাত্রীদের মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ, তারপরে তিনচাকার যান (ইজি বাইক, সিএনজি অটো-রিকশা, অটো-ভ্যান) এর যাত্রীদের মৃত্যুর সংখ্যা ৭৭, যা মোট মৃত্যুর ১৫.৮১ শতাংশ।

বাসে ভ্রমণকারী ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর ট্রাক, কভারড ভ্যান, পিকআপ ও ট্র্যাক্টর চালক ও যাত্রীদের মৃত্যুর সংখ্যা ২৮।

ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপের দুর্ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে। দেশীয়ভাবে তৈরি নোসিমন ও ভোটভোটি গাড়িতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সাইকেল চালকদের মৃত্যুর সংখ্যা ১১, যা সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বহুমুখী চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করে।

দুর্ঘটনার স্থান অনুসারে বিশ্লেষণ করা হলে, জাতীয় হাইওয়ে ২৭.৯০ শতাংশ, আঞ্চলিক সড়ক ৩৭.০৩ শতাংশ, গ্রামীণ সড়ক ১৫.২০ শতাংশ এবং শহরের রাস্তা ১৮.৪২ শতাংশে ঘটেছে। বাকি অংশ অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরণে দেখা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারানো ৩৭.৩৮ শতাংশ, মুখোমুখি ধাক্কা ২৪.১৫ শতাংশ, পাদচারী আঘাত ২৪.৫০ শতাংশ এবং পেছন থেকে ধাক্কা ১২.৮৮ শতাংশ।

বড় আকারের যানবাহন, যেমন ট্রাক, কভারড ভ্যান ও ট্যাঙ্কার, মোট দুর্ঘটনার ২৮.৫৮ শতাংশে জড়িত ছিল। এই পরিসংখ্যান রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের ডেটা অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে।

প্রতিবেদনটি সড়ক নিরাপত্তা নীতি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে, যদিও এ প্রতিবেদনে কোনো অনুমান বা অতিরিক্ত মন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments