আইসিসি বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদ অনুযায়ী, বিশ্বকাপের মাঝেই শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার সাইম আইয়ুব। ভারত এ বিপক্ষে চমৎকার বোলিং করে তিনি শীর্ষ র্যাঙ্কিংয়ে ফিরে এসেছেন। এই সাফল্য তাকে টুর্নামেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের মর্যাদা দিয়েছে।
ভারত এ বিরুদ্ধে তিনটি উইকেট নেয়ার পর সাইমের রেটিং এক ধাপ নেমে সিকান্দার রাজার নিচে দাঁড়িয়েছে, যিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে আছেন। সিকান্দার রাজা, জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক, পূর্বে শীর্ষে ছিলেন এবং এখন সাইমের সঙ্গে র্যাঙ্কিংয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা চলছে। সাইমের এই পারফরম্যান্স তাকে শীর্ষে ফিরিয়ে এনেছে।
সিকান্দার রাজা এবং সাইমের মধ্যে শীর্ষস্থান নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপের পার্থক্যই তাদের অবস্থানকে নির্ধারণ করছে। উভয় খেলোয়াড়ের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স র্যাঙ্কিংকে গতিশীল রাখবে বলে বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করেছেন।
২৩ বছর বয়সী সাইমের ক্যারিয়ার-সেরা ৩০৩ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করে এখন শীর্ষে বসেছেন। তার এই সাফল্যকে তার তরুণ বয়সের সঙ্গে তুলনা করা যায় না।
পাকিস্তানের বিপক্ষে শূন্য রানে ফিরে এসে অভিশেক শর্মা শীর্ষস্থান বজায় রেখেছেন। তার এই রেকর্ডটি টানা দুই ম্যাচে ধারাবাহিকতা দেখায়। শর্মার স্থিতিশীলতা টিমের ব্যাটিং লাইনআপে আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে।
টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ভারত এ-এর বরুন চক্রবর্তী শীর্ষে রয়েছেন। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাকে এই অবস্থানে রাখে। চক্রবর্তীর বোলিং গতি ও ভ্যারিয়েশন তাকে শীর্ষ বোলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
পাকিস্তানের লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ তিনটি উইকেট নেয়ার পর র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। তার এই সাফল্য তাকে শীর্ষের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। আহমেদের স্পিনের গতি ও ট্যাকটিক্স বিশেষ প্রশংসা পেয়েছে।
আফগানিস্তান অধিনায়ক রাশিদ খানও একই রকম পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্থানে স্থান পেয়েছেন। দুইটি ম্যাচে তিনটি করে উইকেট নেওয়া তার র্যাঙ্কিংকে উঁচুতে তুলেছে। খান তার দ্রুত ডেলিভারির জন্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
জিম্বাবুয়ের পেসার ব্র্যাড ইভান্স টানা দুই ম্যাচে তিনটি করে উইকেট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন। তার ধারাবাহিকতা তাকে শীর্ষের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। ইভান্সের সঠিক লাইন ও লেন্থ তার সাফল্যের মূল কারণ।
ভারত এ-এর স্পিনার আকসার প্যাটেল ছয় ধাপ এগিয়ে উঠে চৌদ্দ নম্বরে অবস্থান করেছেন। তার রেটিং বৃদ্ধি তার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ফল। প্যাটেলের ভ্যারিয়েশন তার ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ ছয় ধাপ এগিয়ে পনেরো নম্বরে উঠে এসেছেন। তার দ্রুত গতি ও নিয়ন্ত্রণ র্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলেছে। বুমরাহের শেষ ওভারের পারফরম্যান্স টিমকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দিয়েছে।
আইরিশ স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিজ বিশ ধাপ এগিয়ে বিশ তৃতীয় স্থানে পৌঁছেছেন। তার ধারাবাহিক উইকেট নেওয়া তাকে এই অবস্থানে এনেছে। হামফ্রিজের সুনির্দিষ্ট স্পিন টিমের মিডল ওভারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডে দলগুলো নতুন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, এবং প্রতিটি ম্যাচের পর র্যাঙ্কিং আপডেট হবে। ভক্তরা শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের পরিবর্তন ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে।



