19 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস ইস্ট উইং সম্প্রসারণে ৪২-সিটের সিনেমা হল পুনর্নির্মাণ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস ইস্ট উইং সম্প্রসারণে ৪২-সিটের সিনেমা হল পুনর্নির্মাণ

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে হোয়াইট হাউসের ইস্ট উইং সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে পুরনো সিনেমা হল পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। জাতীয় রাজধানী পরিকল্পনা কমিশন (NCPC)‑কে গত সপ্তাহে জমা দেওয়া নথিতে নতুন হলের অবস্থান পূর্বের স্থানেরই কাছাকাছি নির্ধারিত হয়েছে। এই প্রকল্পে ৯০,০০০ বর্গফুটের বড় ব্যালরুমের সঙ্গে ৪২ সিটের সিনেমা হল অন্তর্ভুক্ত, যা হোয়াইট হাউসের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন সুবিধা বাড়াবে।

প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী ইস্ট কোলোনেডে সাতটি সারি, প্রতিটি সারিতে ছয়টি করে আসন থাকবে, ফলে মূল ৪২‑সিটের বিন্যাস বজায় থাকবে। পরিকল্পনায় দেখা যায় আসনগুলো আধুনিক মানদণ্ডে আপডেট করা হবে, তবে স্থানিক বিন্যাসে কোনো বড় পরিবর্তন নেই।

হোয়াইট হাউসের ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসন পরিচালক যোশুয়া ফিশারের একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরনো হলের আসবাবপত্র ও অন্যান্য ঐতিহাসিক সামগ্রী সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষিত হয়েছে। ফিশার জানান দিয়েছেন, নতুন নির্মাণে এই সংরক্ষিত আইটেমগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমন্বয় ঘটতে পারে।

সিনেমা হলটি গত অক্টোবর মাসে ধ্বংস করা হয়েছিল, যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল হোয়াইট হাউসের জটিল কাঠামো সম্প্রসারণের কাজ শুরু করেছিল। ঐ সময়ে ইস্ট উইং এবং প্রথম লেডির অফিসসহ বেশ কয়েকটি অংশ ভেঙে নতুন ব্যালরুম ও অন্যান্য সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছিল।

এই সম্প্রসারণ প্রকল্পটি NCPC‑এর তত্ত্বাবধানে “ইস্ট উইং আধুনিকীকরণ প্রকল্প” নামে পর্যালোচনা চলছে। অনুমোদন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নকশা ও পরিবেশগত প্রভাবের বিশ্লেষণ করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি বাধা না থাকে।

প্রকল্পের অর্থায়ন সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি দাতাদের অবদানের উপর নির্ভরশীল। গুগল, আমাজন, মেটা, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, কমকাস্ট, টি‑মোবাইল এবং মার্ভেল প্রাক্তন প্রধান ইক পার্লমাটারের পরিবারের মতো বড় বড় কোম্পানি ও ব্যক্তিগত দাতা এই উদ্যোগে তহবিল সরবরাহ করছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ইউটিউব গুগলের অধীনস্থ প্ল্যাটফর্ম, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্যালরুমের জন্য ২২ মিলিয়ন ডলার দান করেছে। এই অর্থায়ন ব্যালরুমের উচ্চমানের অডিও‑ভিজ্যুয়াল সিস্টেম ও সিটিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হবে।

নতুন ব্যালরুমের আয়তন ৯০,০০০ বর্গফুট, যা হোয়াইট হাউসের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ইভেন্ট স্পেস হিসেবে বিবেচিত। এই বিশাল স্থানটি রাষ্ট্রীয় সমাবেশ, আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার করা হবে।

সিনেমা হলের পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসের বিনোদনমূলক সুবিধা পুনরুজ্জীবিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৪২ সিটের ছোট আকারের এই হলটি প্রেস ব্রিফিং, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী এবং ছোট স্কেলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর জন্য উপযুক্ত হবে।

বিনোদন ও সংস্কৃতি অনুরাগীরা এই খবরকে স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ হোয়াইট হাউসের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হলের পুনরায় চালু হওয়া একটি অনন্য সুযোগ প্রদান করবে। নতুন হলের আধুনিক সাউন্ড সিস্টেম ও আরামদায়ক আসনগুলো দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করবে।

প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাবে, এবং আগামী বছর শেষের দিকে নতুন সিনেমা হল ও ব্যালরুম উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের এই সংস্কার পরিকল্পনা দেশের ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে, যা ভবিষ্যতে আরও বিনোদনমূলক উদ্যোগের সূচনা করতে পারে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments