22 C
Dhaka
Thursday, February 19, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার, মটরকেড চারটি গাড়িতে সীমাবদ্ধ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার, মটরকেড চারটি গাড়িতে সীমাবদ্ধ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ঢাকা শহরে গৃহীত নতুন পরিবহন নীতি জানিয়ে দিলেন। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার, গাড়ির সাইজ কমানো এবং গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য ট্রাফিক জ্যাম কমিয়ে সরকারি কাজের গতি বাড়ানো। এই ঘোষণা আজ, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, ঢাকা শহরের প্রধান সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়।

তিনি জানান, নিজের গাড়ি, নিজস্ব চালক এবং নিজে ক্রয় করা জ্বালানিই ব্যবহার করা হবে। সরকারী গাড়ি ও জ্বালানির বদলে ব্যক্তিগত সম্পদ দিয়ে চলাচল করা হবে বলে তিনি জোর দেন। এভাবে বাজেটের অতিরিক্ত ব্যয় এড়ানো সম্ভব হবে। ব্যক্তিগতভাবে জ্বালানি ক্রয় করলে বাজারমূল্য অনুসারে খরচ নির্ধারণ করা হবে, যা সরকারি অনুমোদিত দামের তুলনায় ভিন্ন হতে পারে।

সরকারি প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি, যা পূর্বে নির্ধারিত ছিল, এখন ব্যবহার করা হবে না। এই গাড়ি সাধারণত সরকারি দায়িত্বে ব্যবহৃত হতো, তবে আজ থেকে তা ব্যক্তিগত গাড়ি দিয়ে পরিবর্তন করা হবে। পূর্বে এই গাড়ি সরকারি কর্মচারী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিবহনে ব্যবহৃত হতো।

আজকের সূচিতে তিনি সাভার, শের-এ-বাংলা নগর এবং পরে সচিবালয় পর্যন্ত গাড়িতে গমন করেন। প্রতিটি গন্তব্যে তিনি নিজস্ব গাড়ি দিয়ে পৌঁছান। এই ভ্রমণগুলোতে কোনো সরকারি গাড়ি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সাভারে তিনি একটি শিল্প সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন, শের-এ-বাংলা নগরে পার্লামেন্টের সেশন পর্যবেক্ষণ করেন।

ট্রাফিকের চাপ কমাতে গাড়ির সংখ্যা হ্রাসের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পূর্বে ১৩-১৪টি গাড়ি নিয়ে গঠিত মটরকেডকে এখন মাত্র চারটি গাড়িতে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন শহরের রাস্তায় গাড়ির প্রবাহকে সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গাড়ির সংখ্যা কমলে জ্বালানি ব্যবহার হ্রাস পাবে এবং পরিবেশগত চাপ কমবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

ব্যক্তিগত গাড়িতে জাতীয় পতাকা লেগে থাকবে না; তবে রাষ্ট্রিক অনুষ্ঠান বা বিদেশি অতিথির সফরে পতাকা ব্যবহার করা হবে। তাই গাড়ির বাহ্যিক রূপে কোনো সরকারি চিহ্ন দেখা যাবে না। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন ও প্রদর্শনের জন্য নির্ধারিত প্রোটোকল অনুসরণ করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী ক্যাবিনেটের সভা এখন থেকে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের গৃহ অফিসে যাতায়াতের ফলে সৃষ্ট ট্রাফিক জ্যাম কমবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এভাবে সরকারি কাজের সময়সূচি আরও কার্যকর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সচিবালয়ের সভা কক্ষটি পূর্বে মন্ত্রিসভা ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের বৈঠকের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ঢাকার পথে গতি বাড়াতে গাড়ির দু’পাশে ইউনিফর্মধারী পুলিশ মোতায়েনের প্রথা বন্ধ করার নির্দেশও তিনি দেন। নিরাপত্তা বজায় রাখতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে অতিরিক্ত পুলিশ উপস্থিতি আর প্রয়োজন হবে না। পুলিশের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করে তারা শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়াবে।

বিপক্ষের দলগুলো এই পদক্ষেপকে স্বচ্ছতা ও আর্থিক সাশ্রয়ের ইঙ্গিত হিসেবে স্বাগত জানায়। তবে তারা জোর দিয়ে বলেন, সরকারী গাড়ি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্যাগ করা জনসাধারণের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, এই নীতি সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরা এই পরিবর্তনকে সরকারী স্বার্থের জন্য কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নতুন গাড়ি নীতি আগামী সপ্তাহে পুরো সরকারে প্রয়োগ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি ক্রয় এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল আপডেট করতে।

এই পরিবর্তনগুলো ঢাকা শহরের ট্রাফিক পরিস্থিতি ও সরকারি ব্যয়ের ওপর কী প্র

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments