তারেক রহমান নতুন প্রধানমন্ত্রী আজ সেক্রেটারিয়েটে প্রথম ক্যাবিনেট মিটিং পরিচালনা করে, মন্ত্রিসভা ও স্টেট মন্ত্রিদের জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দেন। মিটিংটি বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চলেছে এবং তা শেষের সঙ্গে সঙ্গে বিকেল ৪টায় সচিবালয় মিটিংয়ের জন্য স্থানান্তরিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বললেন, সরকারকে জনগণের কাছ থেকে প্রাপ্ত ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে তার দায়িত্ব নিখুঁতভাবে পালন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা জনগণের কাছ থেকে নির্বাচিত হয়েছি, তাদের পাশে দাঁড়াতে এবং বিশ্বস্তভাবে সেবা করতে।”
মন্ত্রিসভা ও স্টেট মন্ত্রিদের প্রতি তিনি স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন, প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে এবং তাদের কার্যক্রমে পূর্ণ দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে হবে। এছাড়া, তিনি সব মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং বিএনপি-র ঘোষিত অঙ্গীকারগুলো মেনে চলতে এবং তা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করতে আহ্বান জানান।
এই মিটিংটি তারেক রহমানের সেক্রেটারিয়েটের প্রথম অফিসিয়াল সফর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্যাবিনেট ও সচিবালয় মিটিং প্রধানমন্ত্রীর অফিসে অনুষ্ঠিত হতো, তবে আজ থেকে নতুন সরকার এই ঐতিহ্য পরিবর্তন করে সেক্রেটারিয়েটকে কেন্দ্রস্থল করে তুলবে।
মিটিংয়ের পরপরই সচিবালয় মিটিং অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মন্ত্রিসভা ও সচিববৃন্দের মধ্যে সমন্বয় ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই ধারাবাহিকতা নতুন সরকারের কাজের গতি বাড়াবে এবং নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি মন্ত্রণালয় এখন থেকে তাদের কর্মপরিকল্পনা সংশোধন করে জনগণের স্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে এবং বিএনপি-র অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই পদক্ষেপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেক্রেটারিয়েটের এই নতুন কাজের পদ্ধতি সরকারকে আরও স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভা ও স্টেট মন্ত্রীরা এখন থেকে এই নির্দেশনা মেনে চলতে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই নির্দেশনার ফলে দেশের নীতি-নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় দ্রুততা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের জীবনের মানোন্নয়নে সহায়তা করবে।



