22 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামেসুত ওজিল ও এরদোয়ানের পুত্র ঢাবি মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারে প্রকল্প উদ্বোধন

মেসুত ওজিল ও এরদোয়ানের পুত্র ঢাবি মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারে প্রকল্প উদ্বোধন

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারে একটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জার্মানির ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের পুত্র বেলাল এরদোয়ানও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এই সফরটি নতুন সরকারের শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক আলোচনার মাঝখানে ঘটেছে, ফলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ও কূটনৈতিক সংযোগের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ মনোযোগ পেয়েছে।

মেসুত ওজিল বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন এবং তার উপস্থিতি তুর্কি-বাংলাদেশী সহযোগিতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপের জয়ী দল থেকে এক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, যার আন্তর্জাতিক খ্যাতি বাংলাদেশে বড় সাড়া ফেলেছে।

বেলাল এরদোয়ান, তুরস্কের প্রেসিডেন্টের পুত্র, তুর্কি সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ‘টীকা’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই সফরে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ২০২৫ সালে তুর্কি জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির বোর্ড সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন, যা তার রাজনৈতিক প্রোফাইলকে স্পষ্ট করে।

মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য তুর্কি সরকারের ‘টীকা’ প্রকল্প ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। এই তহবিলের মাধ্যমে সেন্টারের অবকাঠামো, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও রোগীর সেবা মান উন্নত করা হবে।

প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, তুর্কি সরকারের এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেসুত ওজিল এবং বেলাল এরদোয়ান উভয়েই প্রকল্পের গুরুত্ব ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। উভয়েই তুর্কি-বাংলাদেশী বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ডাকসু সদস্য, তুর্কি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পের চিহ্নিত প্যানেল এবং নতুন সরঞ্জাম উন্মোচিত হয়, যা রোগীর সেবা গতি বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তুর্কি সরকারের এই সহায়তা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে। তুর্কি-বাংলাদেশী সহযোগিতার এই মডেল ভবিষ্যতে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালেও পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

বেলাল এরদোয়ানের রাজনৈতিক পটভূমি এবং তার তুর্কি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এই প্রকল্পকে কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তার উপস্থিতি তুর্কি-বাংলাদেশী সম্পর্কের গভীরতা ও বহুমুখিতা প্রকাশ করে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। উভয় দেশই ভবিষ্যতে আরও যৌথ প্রকল্পের পরিকল্পনা করছে, যা দু’দেশের নাগরিকদের উপকারে আসবে।

মেসুত ওজিলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সফর এবং টীকা প্রকল্পের উদ্বোধন তুর্কি-বাংলাদেশী বন্ধুত্বের নতুন মাইলফলক হিসেবে রেকর্ডে থাকবে, এবং ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগের ভিত্তি গড়ে তুলবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments