25 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলামেসুট ওজিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শি.বু.মো. মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন

মেসুট ওজিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শি.বু.মো. মেডিকেল সেন্টার উদ্বোধন করেন

মেসুট ওজিল আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শি.বু.মো. মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তুর্কি সহযোগিতায় পুনর্নির্মিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান, তুর্কি দূত রামিস সেন এবং তুর্কি প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়িপ এরদোয়ানের পুত্র বিলাল এরদোয়ান উপস্থিত ছিলেন। সকলের সম্মিলিত উপস্থিতি অনুষ্ঠানের মর্যাদা বাড়িয়ে তুলেছে।

মেসুট ওজিল কেন্দ্রের নতুন সুবিধা পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন এবং ফটোগ্রাফের জন্য একাধিক ছবি তোলেন। তার উপস্থিতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন কোণে ভিড়কে আকৃষ্ট করে, বিশেষ করে মেডিকেল সেন্টারের সামনে বিশাল সমাবেশ গড়ে ওঠে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওজিলকে স্মারক উপহার প্রদান করেন। এই স্মারকটি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে সংরক্ষিত হবে।

বিলাল এরদোয়ান অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন যে মেসুট ওজিল শীঘ্রই কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থীর শিশুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে যাবেন। তুর্কি সংস্থাগুলোর মানবিক প্রকল্পের সঙ্গে এই উদ্যোগের সমন্বয়কে তিনি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন।

শি.বু.মো. মেডিকেল সেন্টারের সংস্কার কাজ তুর্কি কোঅপারেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন এজেন্সি (TİKA) এর সমর্থনে সম্পন্ন হয়েছে। এজেন্সির সভাপতি আবদুল্লাহ এরেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং তুর্কি-বাংলা সহযোগিতার গুরুত্ব পুনরায় জোর দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্র দলের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সকলের সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ গড়ে ওঠে, যা ভবিষ্যতে আরও যৌথ প্রকল্পের সম্ভাবনা নির্দেশ করে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, পুনর্নির্মিত মেডিকেল সেন্টারটি ক্যাম্পাসের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে। এখন শিক্ষার্থী ও কর্মীরা দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পেতে সক্ষম হবেন, যা পূর্বে বহিরাগত হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীলতা কমাবে।

এই সংস্কার প্রকল্পের মাধ্যমে তুর্কি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তুর্কি সহযোগিতায় সরঞ্জাম ও অবকাঠামো আপডেট করা হয়েছে, যা রোগ নির্ণয় ও জরুরি সেবার গতি বাড়াবে।

মেসুট ওজিলের ক্যাম্পাসে উপস্থিতি কেবল ক্রীড়া জগতের নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। তার সঙ্গে তুর্কি প্রতিনিধিদের সমন্বয় ভবিষ্যতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য আরও সমন্বিত প্রকল্পের সূচনা করতে পারে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবাই একসাথে ছবি তোলেন, যা ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে সংরক্ষিত হবে। তুর্কি ও বাংলাদেশী অংশীদারদের এই যৌথ উদ্যোগ শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও মানবিক ক্ষেত্রেও মাইলফলক স্থাপন করেছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments