অ্যাকশে কুমার এবং প্রিয়দর্শনের পুনর্মিলন নিয়ে নির্মিত ‘বুথ বাংলা’ ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে থিয়েটারে মুক্তি পাবে। একই সময়ে, ১৯ মার্চ ২০২৬-এ প্রদর্শিত হতে যাওয়া ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ ছবির সঙ্গে একটি প্রোমোশনাল গান যুক্ত করার সম্ভাবনা শিল্পে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই তথ্যটি বলিউড হাঙ্গামা সহ বিভিন্ন সূত্র থেকে জানানো হয়েছে।
‘বুথ বাংলা’ একটি হরর কমেডি, যেখানে অ্যাকশে কুমার প্রধান ভূমিকায় এবং প্রিয়দর্শন পরিচালনায় কাজ করছেন। ছবির গল্প ও ভিজ্যুয়াল স্টাইলকে নিয়ে দর্শকরা আগ্রহী হয়ে অপেক্ষা করছেন। চলচ্চিত্রের মুক্তির দিনটি ইতিমধ্যে প্রচারমূলক ক্যালেন্ডারে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রমোশনাল গানের সংযোজনের ধারণা ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ এর প্রি-রিলিজ কনসেপ্টের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, গানের মাধ্যমে দুই ছবির মধ্যে পারস্পরিক প্রচারমূলক সেতু গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই কৌশলটি উভয় ছবির দর্শকসংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য রাখে।
২০০৭ সালের হরর কমেডি ‘ভুল ভুলাইয়া’ তে শিরোনাম গানের বিশাল সাফল্য এই পরিকল্পনার পেছনে প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই গানের জনপ্রিয়তা ছবির বক্স অফিসে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছিল। তাই একই ধরণের শিরোনাম গানের সম্ভাবনা নিয়ে আশা জাগ্রত হয়েছে।
নতুন গানের সুর রচনা করেছেন প্রীতম, যিনি পূর্বে বহু হিট গানের জন্য পরিচিত। সূত্র বলছে, এই গানের সুর ও সুরেলা রচনা চার্টবাস্টার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। গানের প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে এটি শোনার জন্য দর্শকদের আগ্রহ বাড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
গানের শুটিংয়ের জন্য বিশাল সেট তৈরি করা হয়েছে, যেখানে অ্যাকশে কুমারসহ একশো অধিক ব্যাকগ্রাউন্ড নর্তকী-নর্তকী অংশগ্রহণ করেছেন। ছবির হরর থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ভয়ঙ্কর প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়েছে। এই বিশাল স্কেল শুটিংটি গানের ভিজ্যুয়াল আকর্ষণ বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এখনও পর্যন্ত ছবির নির্মাতা বা বিতরণকারী থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ প্রকাশিত হয়নি। তাই গানের সংযোজন বাস্তবে হবে কিনা তা দর্শকদের জন্য এখনও অনিশ্চিত। ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ থিয়েটারে প্রদর্শিত হওয়ার পরেই এই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।
‘বুথ বাংলা’ এর মুক্তির তারিখে বেশ কয়েকবার পরিবর্তন দেখা গেছে। প্রথমে ৩ এপ্রিল ২০২৬ নির্ধারিত ছিল, পরে মে ১৫-এ সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল যাতে ‘ধুরন্ধর ২’ এর প্রত্যাশিত ঢেউ থেকে দূরে থাকে। শেষ পর্যন্ত ১০ এপ্রিল ২০২৬-এ চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা একটি স্বস্তিদায়ক সময়সীমা প্রদান করে।
‘ধুরন্ধর ২’ এর মুক্তি তারিখের সঙ্গে ‘টক্সিক’ ছবির বক্স অফিসে সম্ভাব্য সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এই দুই ছবির মধ্যে প্রতিযোগিতা দর্শকসংখ্যা ভাগ করে নিতে পারে। তাই ‘বুথ বাংলা’ এর মুক্তি সময়সূচি সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারিত হয়েছে।
প্রতীক্ষিত গানের সংযোজনের সম্ভাবনা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। যদি গানটি ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়, তবে দুটো ছবির প্রচার একসঙ্গে চলতে পারে। এই কৌশলটি উভয় চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সাফল্যকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, ‘বুথ বাংলা’ এবং ‘ধুরন্ধর: দ্য রেভেঞ্জ’ উভয়েরই দর্শকরা শীঘ্রই স্পষ্ট উত্তর পাবেন। গানের সংযোজন নিশ্চিত হলে এটি একটি নতুন প্রমোশনাল মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলচ্চিত্রপ্রেমীরা উভয় ছবির মুক্তি ও প্রচার কৌশলকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করবে।



