21 C
Dhaka
Wednesday, February 18, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দশজন উপদেষ্টা নিযুক্ত, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমতুল্য পদমর্যাদা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দশজন উপদেষ্টা নিযুক্ত, মন্ত্রী ও রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমতুল্য পদমর্যাদা

আজ সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দশজন উপদেষ্টা নিযুক্ত করেছে এবং তাদেরকে মন্ত্রী ও রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমতুল্য পদমর্যাদা প্রদান করেছে, তা বিএনপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সরকার প্রধানের নিকটস্থ পরামর্শদাতার সংখ্যা বাড়িয়ে নীতি নির্ধারণে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। নিযুক্তি আজকের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশিত হয় এবং তা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সরকার এই পদক্ষেপকে দ্রুত ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে।

মন্ত্রীর সমতুল্য পদে নিযুক্ত পাঁচজন উপদেষ্টা হলেন বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য হিয়াম আব্বাস, স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য নাজরুল ইসলাম খান, বিএনপি জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল রুহুল কবির রিজভি আহমেদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক মো. ইসমাইল জোবিয়ুল্লাহ, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। হিয়াম আব্বাস ও নাজরুল ইসলাম খান দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দলের কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণে ভূমিকা রাখবেন। রুহুল কবির রিজভি আহমেদ পার্টির সংগঠন ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে তার দক্ষতা কাজে লাগাবেন। একাডেমিক উপদেষ্টা জোবিয়ুল্লাহ ও তিতুমীর যথাক্রমে প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক নীতিতে বিশেষজ্ঞতা প্রদান করবেন।

রাষ্ট্রমন্ত্রীর সমতুল্য পদে পাঁচজন উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন: হুমায়ুন কবির, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, ড. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদি আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদ। হুমায়ুন কবিরের পার্টি সংগঠন ও জনসংযোগে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। শামসুল ইসলাম সামরিক কৌশল ও নিরাপত্তা নীতি সংক্রান্ত পরামর্শ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ড. জাহেদুর রহমান ও ড. মাহাদি আমিন স্বাস্থ্য ও গবেষণা ক্ষেত্রে তাদের জ্ঞান ব্যবহার করবেন। রেহান আসিফ আসাদ তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করে নীতি প্রণয়নে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনবেন।

এই নিযুক্তিগুলি সরকারকে বিভিন্ন পেশাগত দৃষ্টিকোণ থেকে নীতি প্রণয়নে সমন্বিত পরামর্শ প্রদান করতে সক্ষম করবে। একাডেমিক জ্ঞান, সামরিক অভিজ্ঞতা এবং পার্টির অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের সমন্বয় নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা তৈরি করতে সহায়তা করবে বলে বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন। বিশেষ করে প্রযুক্তি, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে এই উপদেষ্টা দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিএনপির বিরোধী দল, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে সমালোচনা করেছে। তারা যুক্তি দিয়েছে যে, উপদেষ্টা নিয়োগের মাধ্যমে সরকার প্রধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি প্রশ্ন উত্থাপিত হবে। বিরোধীরা উল্লেখ করেছে যে, এই ধরনের নিযুক্তি জনমত গঠনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং নির্বাচনী প্রতিযোগিতাকে বিকৃত করতে পারে।

নতুন উপদেষ্টা দলের গঠন সরকারকে অর্থনৈতিক সংস্কার, নিরাপত্তা নীতি এবং শিক্ষা সংস্কারে ত্বরান্বিত করতে পারে। আসন্ন নির্বাচনের পূর্বে এই পদক্ষেপটি বিএনপির সংগঠনের ভিত্তি শক্তিশালী করে ভোটার ভিত্তি সম্প্রসারণে সহায়তা করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে বাস্তবায়ন পর্যায়ে কীভাবে এই উপদেষ্টা দল কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। উপদেষ্টা দলের কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা হবে কিনা, তা ভবিষ্যতে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সর্বমোট দশজন উপদেষ্টা নিযুক্তি বিএনপির শাসন কাঠামোকে পুনর্গঠন করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকার প্রধানের নিকটস্থ পরামর্শদাতার সংখ্যা বাড়িয়ে তিনি নীতি গঠনে দ্রুত ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপের পরবর্তী ধাপ হিসেবে উপদেষ্টা দলকে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments