আজ নতুন গৃহীত সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যালয়ের জন্য প্রাইভেট সেক্রেটারি (PS-1) ও সহকারী প্রাইভেট সেক্রেটারি (APS-1) নির্ধারণের নোটিশ প্রকাশ করেছে। নোটিশটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং এতে দু’জনের পদবী ও দায়িত্ব স্পষ্ট করা হয়েছে। এই পদবী পরিবর্তন নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ মামুন শিবলি APS-1 হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি পূর্বে বিভিন্ন বিভাগে সহকারী সেক্রেটারি ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদে কাজ করেছেন। তার অভিজ্ঞতা সরকারী নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যৌথ সেক্রেটারি মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফারিদি PS-1 পদে নিযুক্ত হয়েছেন। তিনি পূর্বে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যৌথ সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রশাসনিক কাজের সমন্বয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন। নতুন দায়িত্বে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি সহায়তা করবেন।
এই নিয়োগের নোটিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং এতে সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি সামিয়ুল আমিনের স্বাক্ষর রয়েছে। নোটিশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে এই দুই কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইচ্ছা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন।
নিয়োগের শর্তাবলি অনুযায়ী, উভয় কর্মকর্তার পদাবধি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। ফলে তাদের সেবা অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অন্য কোনো নির্দেশনা আসে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই নিয়োগগুলি তৎক্ষণাৎ কার্যকর হবে। ফলে মামুন শিবলি ও আশরাফ রেজা ফারিদি দ্রুতই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাদের দায়িত্ব শুরু করবেন।
মোহাম্মদ মামুন শিবলির ক্যারিয়ার সরকারি সেবা ক্ষেত্রে বহু বছরব্যাপী। তিনি বিভিন্ন বিভাগে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ করেছেন, যা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে উপযুক্ত করে তুলেছে।
মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফারিদি যৌথ সেক্রেটারি হিসেবে বহু মন্ত্রণালয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রাখেন। তার প্রশাসনিক দক্ষতা ও সমন্বয় ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর নিকটবর্তী কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে।
প্রাইভেট সেক্রেটারি ও সহকারী প্রাইভেট সেক্রেটারি প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন কাজের সমন্বয়, নথি প্রস্তুতি এবং নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর আদেশের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিভাগে নির্দেশনা প্রদান ও তদারকি করেন।
এই নিয়োগগুলি নতুন সরকারের গঠনের পরপরই করা হয়েছে, যা প্রশাসনিক কাঠামোকে দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
বিপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি; তবে বিরোধী দলগুলো সাধারণত এমন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগে নজর রাখে এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলতে পারে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে এমন নোটিশ প্রকাশ করে এবং তা সরকারি গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে।
নিয়োগের নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে উভয় কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজন অনুসারে পদবী পরিবর্তন হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই নিয়োগের বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।
নতুন PS-1 ও APS-1 দ্রুতই তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এই পদবী পরিবর্তন সরকারী কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে গণ্য হয় এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করে।
নিয়োগের নোটিশে উল্লেখিত শর্তাবলি ও কার্যকর তারিখের ভিত্তিতে উভয় কর্মকর্তা তৎক্ষণাৎ কাজ শুরু করবেন।
এই পদবী পরিবর্তন দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবেশে নতুন দিকনির্দেশনা আনতে পারে, তবে তা সরকারী নীতি ও পরিকল্পনার বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রীর অফিসে নতুন দায়িত্বশীলদের যোগদানের মাধ্যমে সরকারী কাজের গতি ত্বরান্বিত হবে এবং নীতি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বয় সহজ হবে।



