21 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeপ্রযুক্তিইমার্জেন্টের বার্ষিক আয় $১০০ মিলিয়ন অতিক্রম, ৮ মাসে ৬ মিলিয়ন ব্যবহারকারী

ইমার্জেন্টের বার্ষিক আয় $১০০ মিলিয়ন অতিক্রম, ৮ মাসে ৬ মিলিয়ন ব্যবহারকারী

ইন্ডিয়ার স্টার্টআপ ইমার্জেন্ট, মাত্র আট মাসের মধ্যে তার বার্ষিক আয় $১০০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার দাবি করেছে। কোম্পানিটি এআই‑চালিত “ভাইব-কোডিং” প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, যা কোডিং না জানলেও সফটওয়্যার তৈরি করতে সাহায্য করে। এই অর্জনটি ছোট ব্যবসা ও অ‑প্রযুক্তিগত ব্যবহারকারীদের বাড়তে থাকা চাহিদার ফল।

কোম্পানি জানিয়েছে যে, গত এক মাসে তার বার্ষিক আয় দ্বিগুণ হয়ে $১০০ মিলিয়ন পৌঁছেছে। এই দ্রুত বৃদ্ধি তার সাবস্ক্রিপশন ও ব্যবহার‑ভিত্তিক মডেলের সমন্বয়ে সম্ভব হয়েছে। আয় বৃদ্ধি সঙ্গে সঙ্গে মুনাফার মার্জিনও উন্নত হচ্ছে, যা বিনিয়োগকারী ও বাজারের দৃষ্টিতে ইতিবাচক সংকেত।

ইমার্জেন্টের ব্যবহারকারী সংখ্যা বর্তমানে ৬ মিলিয়নের বেশি, যা ১৯০টি দেশের মধ্যে বিস্তৃত। এর মধ্যে প্রায় ১.৫ লক্ষ ব্যবহারকারী পেইড প্ল্যান ব্যবহার করছেন। এই বৈশ্বিক উপস্থিতি স্টার্টআপকে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থান দিচ্ছে।

প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ৭ মিলিয়নের বেশি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে। ব্যবহারকারীরা সহজ ভাষা দিয়ে নির্দেশনা দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করতে সক্ষম। ফলে স্প্রেডশিট, ইমেইল বা মেসেজিং অ্যাপের উপর নির্ভরশীলতা কমে যাচ্ছে।

ইমার্জেন্টের ব্যবহারকারীর প্রায় ৪০ শতাংশ ছোট ব্যবসা, আর ৭০ শতাংশের কোডিংয়ের পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। এই গোষ্ঠী মূলত অপারেশনাল কাজকে স্বয়ংক্রিয় করতে এবং দ্রুত সফটওয়্যার সমাধান পেতে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। ফলে প্রযুক্তি গ্রহণের বাধা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

ব্যবহারকারীরা প্রধানত কাস্টম সিআরএম, ইআরপি, ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট এবং লজিস্টিক্স টুলের মতো ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেন। এসব অ্যাপ্লিকেশন সাধারণত মোবাইল ডিভাইসে দ্রুত ডিপ্লয় করা হয়, যা চলমান ব্যবসার জন্য সুবিধাজনক।

“ভাইব-কোডিং” শব্দটি এআই ব্যবহার করে প্রাকৃতিক ভাষা থেকে কোড জেনারেট করার পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এআই মডেলের উন্নতি এই পদ্ধতিকে আরও নির্ভরযোগ্য ও উৎপাদনযোগ্য করেছে। ফলে অ‑প্রযুক্তিগত ব্যবহারকারীরাও প্রোডাকশন‑রেডি সফটওয়্যার তৈরি করতে পারছেন।

এই প্রবণতার পেছনে প্রধানত অ‑ডেভেলপারদের কাজের চাপ কমানো এবং দ্রুত বাজারে পণ্য আনার চাহিদা রয়েছে। এআই‑সাহায্যপ্রাপ্ত কোডিং টুলগুলো ডেভেলপারদের রুটিন কাজ থেকে মুক্তি দেয়, আর ব্যবসা গুলো দ্রুত সমাধান পায়।

ইমার্জেন্টের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রেপ্লিট, লাভেবল, রকেট.নিউ, ওয়াবি এবং অ্যানিথিং ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব প্ল্যাটফর্মও এআই‑চালিত কোডিং সেবা প্রদান করে, তবে ইমার্জেন্টের ব্যবহারকারী ভিত্তি ও আয় বৃদ্ধির গতি তাকে আলাদা করে তুলেছে।

নতুন প্রকল্পের অধিকাংশই মোবাইল অ্যাপের দিকে ঝুঁকেছে; প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ প্রকল্প মোবাইল ডিভাইসে চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়। এই প্রবণতা দ্রুত ডিপ্লয়মেন্ট ও ব্যবহারকারী সুবিধাকে গুরুত্ব দেয়।

রাজস্বের প্রধান উৎস হল সাবস্ক্রিপশন ফি, ব্যবহার‑ভিত্তিক মূল্য নির্ধারণ এবং ডিপ্লয়মেন্ট ও হোস্টিং চার্জ। তিনটি সেগমেন্টই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং কোম্পানি জানিয়েছে যে মাসিক ভিত্তিতে মুনাফার মার্জিন ধারাবাহিকভাবে উন্নত হচ্ছে।

কোম্পানির সিইও জাহা উল্লেখ করেছেন, মডেল ও প্ল্যাটফর্মের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর সাফল্যের হার বাড়ছে। এআই‑চালিত কোডিং টুলের পরিপক্কতা বাড়ার সাথে সাথে ইমার্জেন্টের বৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: TechCrunch
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রযুক্তি প্রতিবেদক
AI-powered প্রযুক্তি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments