24 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনবেনসন বুয়েনের সিজন ১৯ ডুয়েট ‘ইউ সে’ এবিসি-তে প্রথমবার প্রচারিত

বেনসন বুয়েনের সিজন ১৯ ডুয়েট ‘ইউ সে’ এবিসি-তে প্রথমবার প্রচারিত

এবিসি’র গ্রীষ্মের বিশেষ পর্বে ১৬ ফেব্রুয়ারি বেনসন বুয়েন এবং মেরি জো ইয়ংের অপ্রকাশিত ডুয়েট প্রথমবার দর্শকের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। দুই শিল্পী ২০২১ সালের হলিউড উইকে একসাথে লরেন ডাইগলের ‘ইউ সে’ গাইছিলেন, তবে সেই পারফরম্যান্স তখনো সম্প্রচারে না আসে।

এই ডুয়েটটি এবিসি’র সিজন ১৯-এ রেকর্ড করা হয়েছিল, যখন মেরি জো ইয়ং শীর্ষ ২৪-এ পৌঁছেছিলেন এবং বেনসন বুয়েন হলিউড উইকে অগ্রসর হলেও পরে প্রতিযোগিতা ত্যাগ করেন। দুজনের পারফরম্যান্সের মূল রেকর্ডিং সংরক্ষিত থাকলেও তা আগে কখনো টেলিভিশনে দেখানো হয়নি।

মেরি জো ইয়ং, বর্তমানে ২৪ বছর বয়সী, সিজন ১৯-এ শীর্ষ ২৪-এ স্থান পেয়েছিলেন এবং তার পর থেকে বিভিন্ন কনসার্টে অংশগ্রহণ করেছেন। বেনসন বুয়েনও একই সিজনে হলিউড উইকে পৌঁছেছিলেন, তবে তিনি প্রতিযোগিতা ছেড়ে দেন এবং পরবর্তীতে শো’র অন্যতম সফল অ্যালামনাই হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

বছরের পর বছর বেনসন বুয়েনের ক্যারিয়ার গ্লোবাল স্তরে প্রসারিত হয়েছে। ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘বিউটিফুল থিংস’ গানের মাধ্যমে তিনি বিলবোর্ড হট ১০০-এ শীর্ষ দশে প্রবেশ করেন এবং আন্তর্জাতিক চার্টে শীর্ষে উঠে আসেন। এই সাফল্য তাকে শো’র সবচেয়ে বাণিজ্যিকভাবে সফল অ্যালামনাইদের মধ্যে একটিতে পরিণত করেছে।

এবিসি’র ফেব্রুয়ারি ১৬ তারিখের পর্বে বেনসন বুয়েন এবং মেরি জো ইয়ংের অপ্রকাশিত ডুয়েট পুনরায় প্রকাশের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে নতুন অভিজ্ঞতা এনে দেয়া হয়। দুজনই ‘ইউ সে’ গানের সুরে একসাথে পারফর্ম করেন, যা হলিউড উইকের সময় রেকর্ড করা হয়েছিল। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শো’র ভক্তরা অতীতের একটি মিসড মুহূর্ত পুনরায় দেখতে পান।

ডুয়েটের সময় মেরি জো ইয়ং হালকা হাসি দিয়ে বিচারকদের জানিয়ে বলেন, তিনি গানের লিরিক্স ভুলে গেছেন। তিনি যোগ করেন, পারফরম্যান্স শেষ হওয়ার পর তিনি অনুভব করেন যেন “শিশুর পাখি গুদায় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মতো”—একটি রূপক যা তার স্ব-উন্নয়নের ইঙ্গিত দেয়।

ইয়ং তার প্রথম অডিশনের পর থেকে আত্মবিশ্বাসে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছেন। তিনি অ্যালেক্স ওয়ারেন এবং জেসি মার্ফের কনসার্টে ওপেনিং অ্যাক্ট হিসেবে পারফর্ম করেছেন এবং তার সঙ্গীত ক্যারিয়ারকে আরও দৃঢ় করেছেন। তার এই আত্মবিশ্বাসের কথা শো’র বিচারকরা স্বীকার করেন।

বিচারক ক্যারোলিন আন্ডারউড মেরি জো ইয়ংের মূল গানের ‘ডোন্ট কল মি’ পারফরম্যান্সে প্রশংসা করেন। তিনি গানের গুণমান এবং পরিবেশনার শক্তি উভয়ই উল্লেখ করে বলেন, “গানটি এবং আপনার কণ্ঠের স্বরভঙ্গি দুটোই খুবই আকর্ষণীয়। উচ্চ স্বরে গাইলে আপনার কণ্ঠে শক্তি এবং ব্যক্তিত্বের ছাপ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।”

বিচারক রিচি হোয়াইট ক্যারিয়ার সংক্রান্ত পরামর্শ দেন, তিনি বলেন, “সঙ্গীত শিল্পে টিকে থাকা গানের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি টিকে থাকতে পারেন, তবে সেটাই মূল চাবিকাঠি।” তিনি মেরি জো ইয়ংকে টিকে থাকার ক্ষেত্রে সফল বলে উল্লেখ করেন।

বিচারক কেন থম্পসনও মেরি জো ইয়ংয়ের স্টেজ উপস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন, যদিও তার পূর্ণ উক্তি এখানে উল্লেখ করা হয়নি, তবে তিনি তার পারফরম্যান্সে দৃশ্যমান পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেন।

এই ডুয়েটের পুনরায় প্রকাশ শো’র ভক্তদের জন্য অতীতের একটি স্মরণীয় মুহূর্তকে পুনর্জীবিত করেছে এবং বেনসন বুয়েন ও মেরি জো ইয়ংের ক্যারিয়ারকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ দিয়েছে। দুজনের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এবিসি’র সিজন ১৯-এ যে সৃজনশীলতা এবং প্রতিভা ছিল, তা আবারও প্রকাশ পেয়েছে।

শো’র এই বিশেষ পর্বটি শুধুমাত্র অতীতের একটি মিসড পারফরম্যান্সই নয়, বরং নতুন প্রজন্মের দর্শকদের জন্য সঙ্গীতের শক্তি এবং শিল্পীর আত্মবিকাশের গল্প তুলে ধরেছে। এবিসি’র ভবিষ্যৎ পর্বে আরও এমন অপ্রকাশিত রেকর্ডিং প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে, যা ভক্তদের জন্য নতুন উত্তেজনা নিয়ে আসবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Music
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments