30 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পৌঁছেছেন

পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল ঢাকায় শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পৌঁছেছেন

পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় পৌঁছে বাংলাদেশ সরকারের নতুন শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেন। তিনি দেশের উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি দিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক বন্ধনকে দৃঢ় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এ সফরটি নতুন বাংলাদেশ সরকারের গঠনকালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকায় আহসান ইকবালের আগমন সম্পর্কে তথ্য পাকিস্তানের হাইকমিশন থেকে জানানো হয়েছে। হাইকমিশন জানিয়েছে, মন্ত্রী তারিখে সরাসরি ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং তৎক্ষণাৎ সরকারী দায়িত্বে অংশ নিতে প্রস্তুত হন। হাইকমিশনের এই বিবৃতি সফরের সময়সূচি ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছে।

বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে স্বাগত জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। উভয় কর্মকর্তাই মন্ত্রীর নিরাপদ প্রবেশ নিশ্চিত করে এবং শপথ অনুষ্ঠানের স্থানান্তর ব্যবস্থা করেন। স্বাগত অনুষ্ঠানে উভয় দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শপথ অনুষ্ঠানটি নতুন বাংলাদেশ সরকারের গঠনকে চিহ্নিত করে এবং দেশের শাসন কাঠামোতে নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করে। আহসান ইকবাল শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণে সাক্ষী হবেন। এই উপস্থিতি দুই দেশের শাসন ব্যবস্থার পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সরকারী সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, আহসান ইকবালের উপস্থিতি বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাড়াবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

পাকিস্তানের দৃষ্টিকোণ থেকে আহসান ইকবালের সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক মিথস্ক্রিয়া বাড়ানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মন্ত্রীর পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। এই সফরটি ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো প্রকল্পে যৌথ কাজের সম্ভাবনা তৈরি করবে।

দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আহসান ইকবালের উপস্থিতি এই প্রবণতাকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন। শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মন্ত্রী দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের নীতি সমন্বয়কে শক্তিশালী করতে পারবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা উল্লেখ করছেন, নতুন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণে আন্তর্জাতিক নেতাদের উপস্থিতি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দৃঢ়তা নির্দেশ করে। আহসান ইকবালের অংশগ্রহণ বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সংহতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আসন্ন সপ্তাহগুলোতে দু’দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো উচ্চ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে যৌথ প্রকল্পের রূপরেখা নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছে। শপথ অনুষ্ঠানের পর আহসান ইকবাল বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রের সমন্বয় সভা করবেন বলে সূত্র জানাচ্ছে। এই আলোচনার ফলাফল ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও বিনিয়োগে রূপ নেবে।

সারসংক্ষেপে, আহসান ইকবালের ঢাকায় আগমন ও শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ দুই দেশের কূটনৈতিক বন্ধনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা। উভয় পক্ষই এই সফরকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments