27 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমার্ক কেলি ২০২৮ প্রেসিডেন্ট দৌড়ের সম্ভাবনা প্রকাশ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই...

মার্ক কেলি ২০২৮ প্রেসিডেন্ট দৌড়ের সম্ভাবনা প্রকাশ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে

অ্যারিজোনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটর মার্ক কেলি ২০২৪ সালের একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা “গুরুতরভাবে বিবেচনা” করছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে একটি ভিডিও বিষয়ক আইনি বিরোধে জড়িয়ে আছেন, যেখানে তিনি সামরিক কর্মীদের অবৈধ আদেশ অমান্য করতে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

কেলি উল্লেখ করেন, তিনি এবং তার স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল গিফোর্স সপ্তাহে বহুবার মৃত্যুমূলক হুমকির মুখে পড়ছেন এবং ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা সেবার প্রয়োজন বোধ করছেন। “এগুলো এখন নিয়মিত হয়ে গেছে,” তিনি বলেন, “প্রতিদিন নতুন হুমকি আসে।”

মার্ক কেলি, ৬১ বছর বয়সী, পূর্বে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন এবং মহাকাশচারী ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটে একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ধারী সদস্য এবং ২৫ বছরের সামরিক সেবা ও যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা রাখেন, যা বেশিরভাগ সেনেটরের তুলনায় বিরল।

তিনি স্বীকার করেন, প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা একটি “গুরুতর সিদ্ধান্ত” এবং এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। “আমি এখনও সিদ্ধান্তে আসিনি,” তিনি উল্লেখ করেন, “কিন্তু সময়ের চ্যালেঞ্জগুলো আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে।”

কেলি এবং পাঁচজন অন্য আইনপ্রণেতা, যাঁরা সকলেই সামরিক বা গোয়েন্দা সংস্থায় কাজ করেছেন, ৯০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশের পর সরকারী তদবিরের শিকার হয়েছেন। ঐ ভিডিওতে সৈন্যদের অবৈধ আদেশ অমান্য করার আহ্বান করা হয়েছিল, যা ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিতে “সদৃশ আচরণ” হিসেবে বিবেচিত হয়।

ভিডিওটি প্রকাশের সময় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ আমেরিকায় নরকো-ট্রাফিকিং জাহাজের ওপর আক্রমণ সংক্রান্ত আইনি প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে ভিডিওটি সামরিক নীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছিল।

ইউএস পেন্টাগন পরে কেলির সামরিক পদবী হ্রাসের চেষ্টা করে, তবে তা সফল হয়নি। একই সঙ্গে একটি গ্র্যান্ড জুরি কেলির বিরুদ্ধে “সদৃশ ষড়যন্ত্র” অভিযোগে কোনো দোষারোপ করে না।

কেলি জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ চালিয়ে যাবে এবং তিনি তা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। “এটি আমার থেকে দূরে সরে যাবে না,” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমি এই লড়াই চালিয়ে যাব, এমনকি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছালেও।”

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সমালোচকরা স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর আক্রমণ হিসেবে দেখছেন। তারা যুক্তি দেন, সরকারী দমনমূলক কার্যক্রমটি রাজনৈতিক বিরোধী কণ্ঠস্বরকে নীরব করার প্রচেষ্টা।

মার্ক কেলির সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট দৌড় এবং তার বর্তমান আইনি সংগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে। যদি তিনি শেষ পর্যন্ত দৌড়ে অংশ নেন, তবে তার বৈজ্ঞানিক ও সামরিক পটভূমি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি অনন্য দৃষ্টিকোণ নিয়ে আসবে।

অবশ্যই, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে চলমান মামলাগুলি কেলির রাজনৈতিক পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে তিনি ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছেন যে, তিনি এই চ্যালেঞ্জগুলোকে অতিক্রম করে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অংশ নিতে ইচ্ছুক।

এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক গতিবিধি এবং সেনেটরদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য নতুন আলোচনার সূচনা করতে পারে। ভবিষ্যতে কেলির সিদ্ধান্ত এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের ফলাফল দেশের শাসনব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments