শ্রীলঙ্কা টুইন্টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১৮২ রান লক্ষ্য সফলভাবে তাড়া করে সুপার ইটস পর্যায়ে প্রবেশ নিশ্চিত করেছে। পাথুম নিস্সাঙ্কা অচূড়া শতক অর্জন করে দলের শীর্ষ স্কোরার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। শ্রীলঙ্কা ১৮৪ রান দুই উইকেটে দুই ওভার বাকি রেখে জয়লাভ করে। এই জয় দলকে গ্রুপের শীর্ষ দুই স্থানে পৌঁছানোর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ্টেন মিচেল মার্শ ৫৪ রান এবং ট্র্যাভিস হেড ৫৬ রান করে দ্রুত ৯ ওভারে ১০৪ রান partnership গড়ে তুলেছিল। তবে মাঝামাঝি গতি হারিয়ে দলটি ধারাবাহিকভাবে পতন দেখায় এবং শেষ পর্যন্ত ১৮১ রানেই আটকে যায়। ডুশান হেমন্তা তিনটি উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ১৮১/১০ স্কোরে সব আউট হয়ে শ্রীলঙ্কার সামনে দুর্বল অবস্থায় দাঁড়ায়।
শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় উইকেটের জন্য নিস্সাঙ্কা এবং কুসাল মেন্ডিসের মধ্যে ৯৭ রান partnership গড়ে উঠে। নিস্সাঙ্কা পাঁচটি ছয় এবং দশটি চারের মাধ্যমে দ্রুত স্কোর বাড়িয়ে ৫২ বলেই শতক পার করে। মেন্ডিসের অবদানও গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যদিও তার স্কোর মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই, তবে তার উপস্থিতি শ্রীলঙ্কার স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। শ্রীলঙ্কা লক্ষ্য তাড়া করতে ধারাবাহিকভাবে রেট বাড়িয়ে চলেছে।
পাভন রথনায়কে ২৮ রান যোগ করে মাঝ-উইকেটে সুইপ মারার মাধ্যমে শেষ রানের দায়িত্ব নেয়। শ্রীলঙ্কা ১৮৪/২ স্কোরে দুই ওভার বাকি রেখে ম্যাচ শেষ করে। নিস্সাঙ্কার দ্রুত অর্ধশতক এবং রথনায়কের শেষ মুহূর্তের আঘাত দলকে নিরাপদ জয় এনে দেয়। এই ফলাফল অস্ট্রেলিয়ার জন্য প্রাথমিক বাদ পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অস্ট্রেলিয়া পূর্বে জিম্বাবুয়ে দলের বিরুদ্ধে পরাজিত হয়ে গ্রুপে একাধিক পরাজয়ের মুখোমুখি। শ্রীলঙ্কা যদি বৃহস্পতিবার জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে, তবে অস্ট্রেলিয়ার সুপার ইটসে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী ম্যাচে ওমানের মুখোমুখি হতে হবে শুক্রবার। তাই দলটি এখন গ্রুপের শীর্ষ দুই স্থানে পৌঁছানোর জন্য তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে।
নিস্সাঙ্কার অচূড়া শতক এবং শ্রীলঙ্কার সামগ্রিক শৃঙ্খলা এই ম্যাচে প্রধান পার্থক্য তৈরি করেছে। অস্ট্রেলিয়া দ্রুত শুরু করলেও মাঝখানে পতনের ফলে লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। শ্রীলঙ্কা সুপার ইটস পর্যায়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে গ্রুপের শীর্ষে চূড়ান্ত স্থান নিশ্চিত করার জন্য আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে। পরবর্তী ম্যাচগুলোতে উভয় দলই তাদের অবস্থান রক্ষার জন্য কঠোর প্রচেষ্টা চালাবে।



