20 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনবনির্বাচিত ১০ জন সংসদ সদস্যের আবাসন ব্যবসা সংযুক্তি রিহ্যাবের শুভেচ্ছা পেয়েছে

নবনির্বাচিত ১০ জন সংসদ সদস্যের আবাসন ব্যবসা সংযুক্তি রিহ্যাবের শুভেচ্ছা পেয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর, নবনির্বাচিত দশজন সংসদ সদস্যের আবাসন ব্যবসায়িক সংযুক্তি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) থেকে শুভেচ্ছা পেয়েছে। এ সংস্থা উল্লেখ করেছে যে, এই প্রতিনিধিরা হাউজিং সেক্টরের দীর্ঘদিনের নীতিগত জটিলতা, কর কাঠামোর সংস্কার, নগর পরিকল্পনা, ড্যাপ বাস্তবায়ন, ইউটিলিটি সংযোগ এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ার সমস্যাগুলো সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

রিহ্যাবের প্রকাশ্য বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সংসদ সদস্যদের এই ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা হাউজিং নীতির গঠন ও বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে সংস্থা সব নাম প্রকাশ করেনি, শুধুমাত্র কিছু নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকাশিত নামগুলো হল: নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া, নোয়াখালী-৫ আসনের মোঃ ফখরুল ইসলাম, বগুড়া-১ আসনের কাজী রফিকুল ইসলাম, নোয়াখালী-১ আসনের মাহবুব উদ্দিন খোকন, নরসিংদী-৩ আসনের মঞ্জুর এলাহী, বরিশাল-৫ আসনের মজিবুর রহমান সরওয়ার, ঢাকা-১০ আসনের শেখ রবিউল ইসলাম, কুমিল্লা-১০ আসনের খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং নেত্রকোনা-৩ আসনের রফিকুল ইসলাম হিলালী। এই সকল প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংগঠনটি উল্লেখ করেছে যে, তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয় এমন একজন সংসদ সদস্যও হাউজিং ব্যবসায় যুক্ত থাকতে পারেন, তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।

আবাসন খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোতে নীতিগত জটিলতা, কর কাঠামোর অস্বচ্ছতা, নগর পরিকল্পনার ঘাটতি, ড্যাপ (ডিজাইন অ্যান্ড প্ল্যান) বাস্তবায়নের ধীরগতি, ইউটিলিটি সংযোগের অভাব এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘায়ু অন্তর্ভুক্ত। এসব বাধা হাউজিং প্রকল্পের খরচ বাড়িয়ে দেয় এবং সাধারণ জনগণের জন্য সাশ্রয়ী বাসস্থান সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে।

রিহ্যাবের মতে, সংসদ সদস্যদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা এই সমস্যাগুলোকে সরাসরি লক্ষ্য করে নীতি সংস্কার ও বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে। বিশেষ করে কর কাঠামোর পুনর্গঠন, দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং ইউটিলিটি সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

অন্যদিকে, বিরোধী দল ও কিছু বিশ্লেষক এই সংযুক্তিকে স্বার্থসংঘাতের সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন। তারা যুক্তি দেন যে, সংসদ সদস্যের একই সঙ্গে ব্যবসায়িক স্বার্থ থাকলে নীতি নির্ধারণে পক্ষপাতিত্বের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

বিপক্ষের এই উদ্বেগের প্রতিক্রিয়ায়, কোনো স্পষ্ট মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি, তবে তারা হাউজিং নীতি প্রণয়নে স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থের অগ্রাধিকার দাবি করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, এই দশজন সংসদ সদস্যের হাউজিং ব্যবসায়িক পটভূমি ভবিষ্যতে হাউজিং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালার আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, হাউজিং প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা, ট্যাক্স রিলিফ প্রদান এবং নগর পরিকল্পনা সংশোধনের বিষয়ে তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এই প্রতিনিধিদের মাধ্যমে হাউজিং খাতে তার নীতি দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে চায়। দলটি আশা করে যে, সংসদে তাদের উপস্থিতি হাউজিং সেক্টরের উন্নয়নে নতুন দৃষ্টিকোণ ও সমাধান আনবে।

আসন্ন সংসদ অধিবেশনে হাউজিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বিল ও সংশোধনী প্রস্তাবিত হবে, যেখানে এই সদস্যদের ভোট ও মতামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে, ড্যাপ বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা, কর কাঠামো সরলীকরণ এবং নগর পরিকল্পনা সংক্রান্ত আইনের সংশোধনের বিষয়গুলো আলোচনার অগ্রভাগে থাকবে।

সারসংক্ষেপে, নবনির্বাচিত দশজন সংসদ সদস্যের আবাসন ব্যবসায়িক সংযুক্তি হাউজিং নীতি গঠনে নতুন গতিপথ তৈরি করতে পারে, তবে স্বার্থসংঘাতের সম্ভাবনা নিয়ে বিরোধী দলের সতর্কতা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে এই প্রতিনিধিদের কার্যক্রম ও নীতি প্রভাবের পর্যবেক্ষণ দেশের হাউজিং খাতের উন্নয়নের মূল সূচক হবে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments