20 C
Dhaka
Tuesday, February 17, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাম্যানচেস্টার সিটি ৬-০ লেস্টার, চেলসিতে লরেন জেমসের দু'গোল, এভারটন ১-০ ওয়েস্ট হ্যাম

ম্যানচেস্টার সিটি ৬-০ লেস্টার, চেলসিতে লরেন জেমসের দু’গোল, এভারটন ১-০ ওয়েস্ট হ্যাম

ইংলিশ উইমেন্স সুপার লিগের সাম্প্রতিক রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি, চেলসি এবং এভারটন প্রত্যেকেই গুরুত্বপূর্ণ জয় অর্জন করেছে। ম্যানচেস্টার সিটি ৬-০ স্কোরে লেস্টারকে পরাজিত করে, চেলসিতে লরেন জেমস দু’টি গোলের মাধ্যমে লিভারপুলকে ২-০ তে পরাস্ত করেছে, আর এভারটন ওয়েস্ট হ্যামকে এক গোলের পার্থক্যে হারিয়ে শিরোপা লড়াইয়ে এগিয়ে গেছে। একই সময়ে আর্রোয়ো তার দলের ৭-৩ পরাজয়ের পর কঠোর সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন।

ম্যানচেস্টার সিটি দলের আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা মোট ৩১টি সুযোগ তৈরি করেছে, যার মধ্যে ১৫টি শট লক্ষ্যভুক্ত হয়। প্রত্যাশিত গোলের সংখ্যা ৪.৬৩ ছিল এবং প্রতিপক্ষের গোলবক্সে ৬৬টি স্পর্শ রেকর্ড করেছে। পাসের নির্ভুলতা ৯১ শতাংশে পৌঁছায়, ৬৬০টির মধ্যে ৬০০টি পাস সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই পরিসংখ্যানগুলো দলটির আধিপত্যকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

ফ্রন্ট ফোরের পারফরম্যান্সও উল্লেখযোগ্য। লরেন হেম্প বামফ্ল্যাঙ্কে ১১টি সুযোগ তৈরি করে, যার মধ্যে দুইটি সহায়তা অন্তর্ভুক্ত। বান্নি শো হেডার দিয়ে তার ১৫তম লিগ গোল সম্পন্ন করেন, যা দলের স্কোরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভিভিয়ান্নে মিয়েডেমা দু’টি গোলের মাধ্যমে স্কোরবোর্ডে নাম লেখান, আর কেরোলিন একক গোলের পাশাপাশি একটি সহায়তা যোগ করেন। এই চারজন খেলোয়াড়ের সমন্বয় ম্যানচেস্টার সিটির আক্রমণকে বহুমুখী করে তুলেছে।

চেলসিতে লরেন জেমসের পারফরম্যান্সও চোখে পড়ে। তিনি প্রথমে কেন্দ্রীয় ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেন, পরে ডানফ্ল্যাঙ্কে স্থানান্তরিত হয়ে দলকে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেন। তার প্রথম গোলটি স্বাক্ষরধারী শট দিয়ে সম্পন্ন হয়, আর দ্বিতীয়টি সজোকে নুসকেনের প্রথম গোলের সহায়তা হিসেবে আসে। জেমসের এই দুই গোল এবং এক সহায়তা চেলসির ২-০ জয়ের মূল চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। কোচ সোনিয়া বোম্পাস্টর উল্লেখ করেন, জেমসের ফিটনেস বজায় রাখা এবং তার পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা দলকে মৌসুমের শেষ পর্যায়ে শক্তিশালী করে তুলবে।

এভারটন ওয়েস্ট হ্যামকে এক গোলের পার্থক্যে পরাজিত করে, যা তাদের অপ্রত্যাশিত উত্থানকে আরও দৃঢ় করে। এই জয়টি এভারটনের লিগ টেবিলে অবস্থানকে উন্নত করেছে এবং দলকে আত্মবিশ্বাস প্রদান করেছে। অন্যদিকে, আর্রোয়োর দল ৭-৩ স্কোরে পরাজিত হওয়ায় মিডিয়া এবং ভক্তদের কাছ থেকে তীব্র সমালোচনা মুখোমুখি হয়েছে। বিশাল পার্থক্যপূর্ণ এই পরাজয় কোচের কৌশল এবং দলের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

প্রতিটি দল এখন পরবর্তী ম্যাচের দিকে মনোনিবেশ করেছে। ম্যানচেস্টার সিটি পরের সপ্তাহে চেলসির সঙ্গে মুখোমুখি হবে, যা শিরোপা লড়াইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত। চেলসির পরবর্তী প্রতিপক্ষ হবে আরসেনাল, যেখানে লরেন জেমসের ধারাবাহিকতা পরীক্ষা করা হবে। এভারটন ওয়েস্ট হ্যামের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হিসেবে সাউদহ্যাম্পটনকে স্বাগত জানাবে, যেখানে তারা পয়েন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করবে। আর্রোয়ো তার দলের পুনর্গঠন এবং পরবর্তী ম্যাচে ফলাফল উন্নত করার জন্য কৌশল পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন।

এই সপ্তাহের WSL রাউন্ডে দেখা গিয়েছে যে আক্রমণাত্মক দক্ষতা, খেলোয়াড়ের ফর্ম এবং কোচের কৌশলই জয়ের মূল চাবিকাঠি। ম্যানচেস্টার সিটির বিশাল জয়, চেলসিতে জেমসের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স এবং এভারটনের সূক্ষ্ম জয় সবই লিগের প্রতিযোগিতাকে তীব্র করে তুলেছে। আর্রোয়োর দলকে এখন পুনরুদ্ধার করতে হবে, যাতে তারা পরবর্তী ম্যাচে পুনরায় সাফল্য অর্জন করতে পারে।

৮৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: The Guardian – Football
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments