বার্নলি স্কট পার্কারের তত্ত্বাবধানে FA কাপের চতুর্থ রাউন্ডে ম্যানসফিল্ডের হাতে ১-২ তে পরাজিত হয়েছে। এই পরাজয় দলকে আরেকটি বড় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং ক্লাবের বর্তমান সংকটকে আরও তীব্র করে।
স্কট পার্কার এই মৌসুমে বার্নলির ওপর বাড়তে থাকা চাপের মুখে আছেন। ক্রিস্টাল প্যালেসে ১৭ ম্যাচের পর প্রথম লিগ জয় অর্জনের পরেও, দলটি FA কাপের ম্যাচে প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে ত্রুটিপূর্ণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। পার্কারের কোচিং রেকর্ড প্রিমিয়ার লিগে দুর্বল, এবং খেলাধুলার শৈলী দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় নয় বলে সমালোচিত হয়েছে।
বার্নলির চেয়ারম্যান অ্যালান পেসের সমর্থন সত্ত্বেও, স্টেডিয়ামের ভক্তদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। শীতকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়ায় দলটি গুণগত মানে ঘাটতি অনুভব করছে, যা বর্তমান অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসার পথকে সংকীর্ণ করে দিয়েছে।
ম্যাচে বার্নলি এক গোল করে ১-২ স্কোরে হেরে, দ্বিতীয়ার্ধে ক্লেয়ারেটসের প্রচেষ্টা লজ্জাজনক পর্যায়ে পৌঁছায়। অর্ধ-খালি স্টেডিয়ামে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দর্শকদের হতাশা বাড়িয়ে দেয় এবং ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
বার্নলির এই পরাজয়কে বিশ্লেষণ করে উইল আনউইন ম্যাচ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলটি আরেকটি বড় সুযোগ হারিয়েছে এবং এখনই পরিবর্তনের প্রয়োজন।
অন্যদিকে, অ্যাস্টন ভিলার ভিলা পার্কে VAR ব্যবহারের ঘাটতি নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে। ট্যামি অ্যাব্রাহাম অফসাইড অবস্থান থেকে প্রথম গোল করেন, তবে নিউক্যাসলের ডিফেন্ডাররা তা স্বীকার না করে VAR সেভারার অপেক্ষা করে থাকে বলে মনে হয়।
সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমের ত্রুটি খেলোয়াড়দের জন্য শূন্য মার্জিন রেখে দেয়, ফলে রেফারির কাজেও সীমাবদ্ধতা দেখা দেয়। খেলোয়াড়রা এখন ভিআর প্রোটোকলকে ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছে, যা গেমের স্বাভাবিক প্রবাহকে পরিবর্তন করেছে।
ভিলা পার্কে VAR না থাকায় পুরনো রেফারিং পদ্ধতির স্মৃতি কমে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিবর্তন কেবল রেফারির কাজকে নয়, খেলোয়াড়দের মানসিকতা ও কৌশলগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে।
নিউক্যাসল ম্যাচে ক্রিস কাভানাগের পারফরম্যান্স দলকে একটি শক্তিশালী কমব্যাক থেকে দূরে রাখে। স্যান্ড্রো টোনালি, ব্রুনোর অনুপস্থিতিতে, দায়িত্ব গ্রহণ করে দলকে স্থিতিশীল রাখে।
বার্নলির পরিস্থিতি এবং অ্যাস্টন ভিলার VAR সমস্যার পাশাপাশি, লিভারপুলের ডোমেইন থেকে কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রকাশিত হয়নি। তবে লিভারপুলের পারফরম্যান্সের ওপর নজর রাখা হবে, কারণ দলটি এই মৌসুমে উচ্চ প্রত্যাশা বহন করে।
বার্নলি এখন শীতকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ নিতে পারে, যাতে গুণগত মান বাড়িয়ে দলকে পুনরুজ্জীবিত করা যায়। ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সমর্থন ও ভক্তদের উপস্থিতি পুনরুদ্ধার করা গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাস্টন ভিলার VAR বিষয়ক আলোচনা ভবিষ্যতে রেফারিং সিস্টেমের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবে। খেলোয়াড়, কোচ এবং রেফারিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে গেমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
পরবর্তী সপ্তাহে বার্নলি প্রিমিয়ার লিগে ক্রিস্টাল প্যালেসের মুখোমুখি হবে, যেখানে দলটি পুনরায় জয় অর্জনের চেষ্টা করবে। অ্যাস্টন ভিলা এবং নিউক্যাসলও তাদের পরবর্তী লিগ ম্যাচে প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে VAR ব্যবহারের প্রশ্ন আবার উঠে আসতে পারে।



