28 C
Dhaka
Monday, February 16, 2026
Google search engine
Homeখেলাধুলাপাকিস্তান ৬১ রানের পরাজয়ে ভারত এ-কে পরাজিত, সমালোচনা তীব্র

পাকিস্তান ৬১ রানের পরাজয়ে ভারত এ-কে পরাজিত, সমালোচনা তীব্র

কলম্বোর গ্রুপ এ ম্যাচে পাকিস্তান ১১৪ রানে আউট হয়ে ৬১ রানের বড় পার্থক্যে ভারত এ-কে হারিয়েছে। এই পরাজয় দলের টি২০ বিশ্বকাপ যাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে; ভারত এ সুপার আটে স্থান নিশ্চিত করেছে, আর পাকিস্তানকে ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শেষ গ্রুপ ম্যাচে জয়লাভ করতে হবে টুর্নামেন্টে অগ্রসর হওয়ার জন্য।

ম্যাচে পাকিস্তান ১১৪ রান সংগ্রহের পর দ্রুতই আউট হয়ে যায়, যখন ভারত এ ১৭৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে সহজে জয়লাভ করে। ফলস্বরূপ পাকিস্তানের টি২০ স্কোয়াডের পারফরম্যান্সের ওপর তীব্র সমালোচনা উঠে আসে, বিশেষ করে ব্যাটিং ও বোলিং উভয়ই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রাক্তন ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ইউসুফ দ্রুতই দলের বর্তমান শীর্ষ খেলোয়াড়দের দিকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেন। তিনি শাহীন শাহ আফরিদি, বাবর আজম এবং শাদাব খানের জন্য সময় শেষ বলে উল্লেখ করে, টিমে নতুন পারফরমার দরকার, পুরনো মুখে পুরনো জয় নয়। তার মতে, টিমকে দুর্বল দলের বিরুদ্ধে খালি জয় নয়, বাস্তবিক পারফরম্যান্সে উন্নতি দরকার।

প্রাক্তন খেলোয়াড় ও বিশ্লেষক রামিজ রাজা পাকিস্তানের ব্যাটিংকে “একটি দুর্যোগের মতো” বর্ণনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত এ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় একই বোলিং আক্রমণ ব্যবহার করেছে, তবুও পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হচ্ছে এবং কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

অন্য প্রাক্তন ক্রিকেটার আহমেদ শাহজাদও একই রকম তীব্র মন্তব্য করেন। তিনি এই পরাজয়কে “দুঃখজনক ক্রিকেট” বলে সমালোচনা করে, একই মুখে একই ফলাফল পুনরাবৃত্তি হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি নতুন প্রজন্মের সুযোগের পক্ষে সওয়াল তুলে ধরেন, ফখর জামান, খাওয়াজা নাফায় এবং সলমান মিরজাকে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করেন, যাতে টিমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়।

দলের ভেতরে থেকে সোয়াহিব মাকসুদ বোলিংকে মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, আজকের হারের প্রধান কারণ বোলিংয়ের দুর্বলতা, এবং এমনকি ১৪০ রানও এই পিচে চ্যালেঞ্জিং হতো, যা ১৮০ রান নয়। তিনি প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, উল্লেখ করেন যে বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনুরূপ পিচে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

ক্রীড়া উপস্থাপক জায়নাব আব্বাস ম্যাচটিকে “একপক্ষীয়” বলে বর্ণনা করেন এবং টি২০ ক্রিকেটে ভারত এ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাড়তে থাকা পার্থক্যকে তুলে ধরেন। তিনি প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যা টিমের সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করছে।

এই পরাজয়ের পর পাকিস্তানের টিম এখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি। ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে শেষ গ্রুপ ম্যাচে জয়লাভ না করলে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকি থাকবে। দলের ব্যবস্থাপনা ও কোচিং স্টাফকে এখন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যাতে নতুন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি ও কৌশলগত পরিবর্তন করা যায়।

সারসংক্ষেপে, কলম্বোতে ভারত এ-কে পরাজিত করে পাকিস্তান টি২০ বিশ্বকাপের পথে বড় বাধার সম্মুখীন হয়েছে। দলের পারফরম্যান্সের ওপর তীব্র সমালোচনা এবং নতুন প্রতিভার আহ্বান উভয়ই স্পষ্ট হয়েছে। পরবর্তী ম্যাচে জয়লাভের মাধ্যমে টিমের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে, আর সমালোচকদের দাবি অনুযায়ী টিমের গঠন ও কৌশলে দ্রুত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
AI-powered খেলাধুলা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments