রমজান মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলএসি বাজারের লেনদেনের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সময়সূচি জানানো হয় এবং তা বাজারের অংশগ্রহণকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করে।
বিজ্ঞপ্তিটি ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ ম্যানেজার মোহাম্মদ শাখাওয়াত-ই-এলাহির স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল স্টক ট্রেডার ও ব্রোকারদের নতুন সময়সূচি মেনে চলার আহ্বান জানান।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসে লেনদেন সকাল দশটায় শুরু হবে এবং দুপুর একটা চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত চলবে। এই সময়সীমা সাধারণত বাজারের সক্রিয়তা বজায় রাখতে যথেষ্ট বলে বিবেচিত।
দুপুর একটা চল্লিশ মিনিটে লেনদেনের মূল সেশন শেষ হওয়ার পর, পোস্ট ক্লোজিং সেশন একটা চল্লিশ থেকে একটা পঞ্চাশ মিনিট পর্যন্ত চালু থাকবে। এই অতিরিক্ত দশ মিনিটের সেশনটি শেষ মুহূর্তের অর্ডার সম্পন্ন করার জন্য রাখা হয়েছে।
বাজারের অফিসিয়াল কার্যক্রমের সময় সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে। এই সময়ে ডিএসইর প্রশাসনিক ও সাপোর্ট সেবা চালু থাকবে, যা ট্রেডারদের প্রযুক্তিগত সহায়তা ও তথ্য সরবরাহে সহায়তা করবে।
রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অফিস এবং লেনদেনের সময়সূচি পূর্বের নিয়মে ফিরে যাবে। ছুটির পরের প্রথম কর্মদিবসে লেনদেন সকাল দশটা থেকে বিকেল দুইটা ত্রিশ মিনিট পর্যন্ত চলবে, যা সাধারণ মৌসুমের সময়সূচি।
এই পরিবর্তনের পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকও রমজান মাসে ব্যাংকের কাজের সময়সূচি সংশোধন করেছে। ব্যাংকগুলো রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত লেনদেন গ্রহণ করবে।
ব্যাংকের অফিস সময় সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যাতে গ্রাহকদের জন্য অধিক সময়ের সেবা নিশ্চিত করা যায়। এই সময়সীমা ব্যবসা ও বাণিজ্যিক লেনদেনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
শুক্রবার ও শনিবারকে সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে নির্ধারিত রাখা হয়েছে, ফলে এই দুই দিন ব্যাংকগুলো বন্ধ থাকবে। এই ছুটির ব্যবস্থা পূর্বের নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাজারের অংশগ্রহণকারীরা নতুন সময়সূচি মেনে চললে লেনদেনের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বজায় থাকবে বলে আশা করা যায়। পোস্ট ক্লোজিং সেশনের সংযোজন বিশেষত শেষ মুহূর্তের অর্ডার সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।
অফিসের কাজের সময় বাড়িয়ে রাখা হলে ট্রেডারদের প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হবে, যা বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সামগ্রিকভাবে, রমজান মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সময়সূচি পরিবর্তন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক সময়সূচি সমন্বয় উভয়ই বাজারের স্বাভাবিক প্রবাহকে সমর্থন করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো বাজারের অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করে এবং লেনদেনের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করে।



