র প্রিমাদাসা স্টেডিয়ামে রবিবার অনুষ্ঠিত টুইন্টি২০ বিশ্বকাপের গেমে ভারত এ ১৭৫ রান-৭ উইকেটের স্কোরে পাকিস্তানকে ১১৪ রান-১০০% আউট করে পরাজিত করেছে। এই জয়টি ভারত এ ক্যাপ্টেন সুর্যকুমার যাদব দেশের ভক্তদের প্রতি উৎসর্গ করেছেন।
ম্যাচের ফলাফল টুর্নামেন্টের শেডিউলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে, কারণ দুই দলের মধ্যে ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময় উচ্চ দৃষ্টিতে দেখা হয়। উভয় দলের সমর্থকরা স্টেডিয়ামে এবং টেলিভিশনে উত্তেজনা সহ অনুসরণ করছিল।
সুর্যকুমার যাদব পোস্ট-ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে বললেন, “এটি ভারত এ জন্য, আমরা আমাদের ইচ্ছামতো ক্রিকেট খেলেছি” এবং মুখে প্রশস্ত হাসি ফুটে উঠেছে। তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের এই জয়ের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
টসের সময় দু’জন ক্যাপ্টেনই চোখের যোগাযোগ এড়িয়ে গম্ভীর ভঙ্গি গ্রহণ করেন এবং হ্যান্ডশেক করেননি। সুর্যকুমার ও সালমান আগা দুজনেই মুদ্রা উল্টানোর সময় কোনো হাসি না দেখিয়ে মঞ্চে উপস্থিত হয়েছেন।
এই অস্বাভাবিক মুহূর্তটি দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তবে ম্যাচের স্বাভাবিক প্রবাহে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
ভারত এ ব্যাটিংয়ে দ্রুত গতি বজায় রেখে ১৭৫ রানে পৌঁছেছে, যেখানে শীর্ষ স্কোরার ইশান কিশান ৭৭ রান করেছেন। কিশানের আক্রমণাত্মক শটগুলো পাওয়ারপ্লে সময়ে বিশেষভাবে কার্যকর ছিল।
কিশানের ইনিংসের সময় তিনি সীমা অতিক্রম করে রানের প্রবাহ বজায় রেখেছেন এবং দলকে স্থিতিশীলতা প্রদান করেছেন। তার শট নির্বাচন ও দৌড়ের গতি দলকে দ্রুত স্কোর বাড়াতে সাহায্য করেছে।
ইশান কিশান ম্যাচের প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি উল্লেখ করেন, “ভারত এ বনাম পাকিস্তান আমাদের জন্য বিশেষ ম্যাচ, দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ”। তিনি জয়কে টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসের উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পাকিস্তান ১৮ ওভারে ১১৪ রান করে সম্পূর্ণ আউট হয়ে শেষ হয়। তাদের ব্যাটিংয়ে শুরুর কিছু শট সঠিক না হওয়ায় দ্রুত উইকেট হারাতে হয়।
পাকিস্তানের শীর্ষ স্কোরার সংখ্যা কমে যাওয়ায় রানের গতি ধীর হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত দলটি লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়। ভারত এয়ের বোলাররা ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিতে সক্ষম হয়।
এই জয়ের মাধ্যমে ভারত এ টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রেকর্ড ৮-১ এ উন্নত হয়েছে। পূর্বের রেকর্ডে একমাত্র পরাজয় ২০১৯ সালে ঘটেছিল।
ম্যাচের পটভূ



