22 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় এএসআইকে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় এএসআইকে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করা হয়েছে

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের মধ্যরাজৈ গ্রামে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে এক এএসআইকে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় স্থানীয় লোকজন আটক করে থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। আটক হওয়া এএসআই ৩২ বছর বয়সী এবং কিশোরগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত, তবে তিনি গত চার‑পাঁচ মাস ধরে অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থল থেকে অনুপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এএসআই একই গ্রামে বাস করতেন এবং তার অনুপস্থিতি সম্পর্কে জেলা পুলিশ বহুবার নোটিশ পাঠিয়েও তিনি ফিরে আসেননি। এই অনুপস্থিতি সম্পর্কে ভালুকা মডেল থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, যথাযথ অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় অনুপস্থিত থাকা নিশ্চিত হয়েছে।

রাত দেড়টার দিকে এএসআই প্রবাসীর বাড়িতে গিয়ে স্থানীয়দের সন্দেহ জাগে। ঘরে প্রবেশের পর তিনি এবং প্রবাসীর স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ে, ফলে গ্রামবাসীরা তাদেরকে গ্রাম চত্বরে আটকে রাখে। পরে থানা পুলিশ ও সেনা সদস্যদের জানার পর তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুইজনকে থানায় নিয়ে যায়।

আটক করা নারী ২৩ বছর বয়সী, একই গ্রামে বসবাসকারী একজন সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। তার দুই বছর বয়সের যমজ সন্তান রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এএসআই ও ওই নারীর মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল। অন্যদিকে, এএসআইয়েরও সাত বছর ও আড়াই বছর বয়সের দুটি সন্তান রয়েছে।

আইনি দিক থেকে, আটক হওয়া এএসআই ও নারীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ধারা ২৯০ (অশ্লীলতা) অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আদালতে উভয়কে প্রসিকিউশন করা হয় এবং পরবর্তী শোনানির জন্য রেফার করা হয়।

থানা এসআই মো. রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, এএসআইয়ের অনুপস্থিতি ও অনুমতি ব্যতীত কাজ করা উভয়ই শৃঙ্খলা লঙ্ঘন এবং আইনের লঙ্ঘন। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, গ্রামবাসীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়। থানা পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্টদের হেফাজতে নেয়।

আসন্ন শোনানিতে আদালত কী রকম রায় দেবে তা এখনও অনিশ্চিত, তবে দণ্ডবিধির ধারা ২৯০ অনুযায়ী শাস্তি কঠোর হতে পারে। মামলাটি স্থানীয় শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তার নৈতিক দায়িত্বের প্রশ্ন তুলেছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভালুকা মডেল থানা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চালু করেছে এবং ভবিষ্যতে এধরনের অনুপযুক্ত আচরণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments