22 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতি১৩তম সংসদের নতুন সদস্য ও মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের সময়সূচি ও স্থান প্রকাশ

১৩তম সংসদের নতুন সদস্য ও মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের সময়সূচি ও স্থান প্রকাশ

নতুন নির্বাচিত ১৩তম সংসদের সদস্যরা মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, সকাল ১০ টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবে। একই স্থানে বিকেল ৪ টায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হবে, এ বিষয়ে আইন উপদেষ্টা নাফিস আহমেদ নাদভী আজ তার দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেন।

সদস্যদের শপথ গ্রহণের দায়িত্বে সিএসিই সি.ই.সি.এম.এম. নাসির উদ্দিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর মন্ত্রিসভার শপথ রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের হাতে হবে। নাফিস আহমেদ নাদভী জানান, শপথের পরই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টি (বিএনপি) তাদের পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা নির্বাচন করবে, যা প্রায় ১১:৩০ টা থেকে ১২ টার মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।

বিএনপি পক্ষ থেকে শপথের পরপরই নেতা নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে, যা সংসদীয় কার্যক্রমের দ্রুত গঠনকে নির্দেশ করে। শপথের সময়সূচি ও স্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্যের জন্য ক্যাবিনেট বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, এবং আমন্ত্রণের তালিকা প্রচলিত রীতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

নাফিস আহমেদ নাদভী উল্লেখ করেন, দক্ষিণ প্লাজায় শপথের জন্য আমন্ত্রণপত্র সাউথ এশিয়া রিজিয়নাল কোঅপারেশন (সার্ক) দেশের প্রতিনিধিদের কাছে পাঠানো হয়েছে, তবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়নি। ক্যাবিনেট শপথে কে-কোনো আমন্ত্রিত হবেন তা এখনো চূড়ান্ত নয়, এবং তা ক্যাবিনেট বিভাগের পর্যালোচনার পরে জানানো হবে।

শপথের স্থান হিসেবে দক্ষিণ প্লাজা নির্বাচনের পেছনে বিএনপি’র ইচ্ছা কাজ করেছে। নাফিস আহমেদ নাদভী বলেন, “এই সংসদটি অন্যান্য সংসদের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। জুলাইয়ের ছাত্র ও জনগণের ত্যাগ, গণউত্থান, বহু প্রাণহানি—এই সবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এই সংসদ পেয়েছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে অতীতের বহু ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছে, যা এই শপথকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়।”

শপথের সময়সূচি ও স্থান সংক্রান্ত তথ্যের পাশাপাশি, নাফিস আহমেদ নাদভী ক্যাবিনেট শপথে আমন্ত্রিত অতিথি ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের বিষয়ে স্পষ্টতা না দিয়ে বলেন, ক্যাবিনেট বিভাগ রীতিনীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা সাউথ প্লাজায় শপথের আয়োজনের পেছনে ইতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বকে বিবেচনা করেছি, এবং ভবিষ্যতে সংসদীয় কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।”

শপথের অনুষ্ঠান শেষে, নতুন সংসদ সদস্যদের পার্লামেন্টারি পার্টি নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই নির্বাচন পার্লামেন্টের কার্যক্রমের সূচনা চিহ্নিত করবে এবং সরকার গঠনের প্রাথমিক ধাপকে স্পষ্ট করবে।

সামগ্রিকভাবে, ১৩তম সংসদের শপথ অনুষ্ঠান ও মন্ত্রিসভা শপথের সময়সূচি, স্থান ও আমন্ত্রণের বিবরণ এখনো চূড়ান্ত হচ্ছে, তবে সরকারী সূত্র অনুযায়ী সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই শপথের পরবর্তী রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতি ও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments