26 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধআইসিটি‑১ র‍্যাম্পুরা মামলায় রায়ের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ

আইসিটি‑১ র‍্যাম্পুরা মামলায় রায়ের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ (আইসিটি‑১) র‍্যাম্পুরা ঘটনার মামলায় ৪ মার্চ রায় শোনার তারিখ নির্ধারণ করেছে। এই রায়টি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটিত উত্থানের সময় দুইজনের মৃত্যু এবং দুইজনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে যুক্ত পাঁচজন প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে।

উক্ত উত্থানটি র‍্যাম্পুরা এলাকায় সংঘটিত হয়, যেখানে দুইজন নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায় এবং আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আঘাত পায়। ঘটনাস্থলে প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায় গুলিবিদ্ধদের ওপর গুলিবর্ষণ সরাসরি পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের দ্বারা করা হয়।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া খিলগাঁও জোনের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার রাশেদুল ইসলাম, র‍্যাম্পুরা থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ মাশিউর রহমান, থানার সাব‑ইনস্পেক্টর তারিকুল ইসলাম ভূইয়ান এবং র‍্যাম্পুরা আউটপোস্টের সহ‑সাব‑ইনস্পেক্টর চঞ্চল চন্দ্র সরকার রয়েছেন।

এই পাঁচজনের মধ্যে মাত্র চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেফতার হয়েছেন, বাকি চারজন এখনও পলায়ন করেছে এবং পুলিশ অনুসন্ধানে রয়েছে। গ্রেফতারকৃত চঞ্চলকে বর্তমানে জেলখানায় রাখা হয়েছে, আর বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে অতিরিক্ত অনুসন্ধান চালু রয়েছে।

আইসিটি‑১ আজকের আদেশে রায়ের তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি স্পষ্ট করে, যা পরবর্তী শুনানির জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করে। আদালতের আদেশের বিষয়টি প্রসিকিউটর গাজী মনাওয়ার হোসেন তামিম নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে রায় শোনার আগে প্রমাণের পূর্ণ পর্যালোচনা এবং আইনি যুক্তি উপস্থাপন করা হবে।

চঞ্চল চন্দ্র সরকারের প্রতিরক্ষা আইনজীবী আরশাদুল হক বাবুও রায়ের তারিখ সম্পর্কে একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রায়ের আগে প্রতিরক্ষার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নথি ও যুক্তি উপস্থাপন করা হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ মানবাধিকার লঙ্ঘন, যুদ্ধাপরাধ এবং অপরাধমূলক অপরাধের বিচার করার জন্য গঠিত, এবং র‍্যাম্পুরা ঘটনার মামলায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। আদালত এই মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রকৃতি, ঘটনার সময়সীমা এবং শিকারের ক্ষতিপূরণ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করবে।

৪ মার্চের রায় শোনার পর, অভিযুক্তদের ওপর দণ্ডনীয় শাস্তি, জরিমানা বা অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। রায়ের ভিত্তিতে যদি দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এই মামলাটি দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবাধিকার রক্ষার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। রায়ের ফলাফল ভবিষ্যতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আচরণ ও নীতিমালার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, এবং জনসাধারণের ন্যায়বিচার প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments