18 C
Dhaka
Sunday, February 15, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনবর্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে ফিনল্যান্ডের ‘নাইটবর্ন’ দেখানো, পিতামাতার ভয়কে রক্তাক্ত রূপে উপস্থাপন

বর্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে ফিনল্যান্ডের ‘নাইটবর্ন’ দেখানো, পিতামাতার ভয়কে রক্তাক্ত রূপে উপস্থাপন

বর্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে ফিনল্যান্ডের পরিচালক হ্যানা বার্গহোমের নতুন হরর‑ফ্যান্টাসি ‘নাইটবর্ন’ (Yön Lapsi) প্রদর্শিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটি নবজাতকের জন্মের পর পারিবারিক জীবনে সৃষ্ট অস্বস্তি ও ভয়কে রক্তাক্ত রূপে চিত্রিত করে।

বার্গহোমের প্রথম চলচ্চিত্র ‘হ্যাচিং’ ২০২২ সালে সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল, যেখানে হরর ও পরিবারিক নাটকের মিশ্রণ দেখা গিয়েছিল। ‘নাইটবর্ন’ তার ধারাবাহিকতা হিসেবে একই থিমে কাজ করে, তবে আরও তীব্র ভিজ্যুয়াল ও গথিক পরিবেশ যোগ করেছে।

চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য হ্যানা বার্গহোম এবং ইলজা রাউটসি একসাথে রচনা করেছেন, মোট সময়কাল প্রায় ৯২ মিনিট। মূলত ফিনিশ ভাষায় হলেও প্রধান চরিত্রের সংলাপ ইংরেজিতে, যা দুজনের ভিন্ন জাতীয়তা প্রকাশ করে।

কাস্টে সাইদা হারলা সাগা চরিত্রে, রুপার্ট গ্রিন্ট জোন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পামেলা টোলা, পির্কো সাইসিও, রেবেকা লেসি এবং জন থমসন সহ অন্যান্য অভিনেতা সমর্থনমূলক ভূমিকায় উপস্থিত।

গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হল সাগা ও জোন, যাঁরা শিশুর জন্মের পর এক বিচ্ছিন্ন গ্রাম্য বাড়িতে স্থানান্তরিত হন। তবে শিশুটি স্বাভাবিক নয়; তা রক্তশোষী রূপে প্রকাশ পায়, যা দম্পতিকে বেঁচে থাকার জন্য হিংস্র লড়াইয়ে বাধ্য করে।

চিত্রটি পুরনো, পরিত্যক্ত বাড়ি ও ঘন জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে গড়ে তোলা, যা হররের ক্লাসিক পরিবেশ তৈরি করে। ঘন কুয়াশা, গাছের শিকড়ের ছায়া এবং অন্ধকার আলো দৃশ্যকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে।

‘নাইটবর্ন’ প্রথমবারের পিতামাতা হওয়ার সময়ের বাস্তব উদ্বেগকে অতিরঞ্জিত রূপে তুলে ধরে। ঘুমের অভাব, শিশুর খাওয়ানোর কষ্ট, প্রথম পদক্ষেপের অজানা ভয়—এসবকে রক্তাক্ত রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পরিচালকের শৈলীতে অন্ধকার হাস্যরস ও গ্রাফিক গোরের সমন্বয় দেখা যায়। স্তন্যদান, শিশুর প্রথম হাঁটা, হাইচেয়ারে খাবার খাওয়ানো ইত্যাদি সাধারণ পিতামাতার মুহূর্তগুলোকে উল্টোভাবে গন্ধময় ও হাস্যকর দৃশ্যে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

শিশুটির রক্তশোষী প্রকৃতি পিতামাতার অজানা ভয়ের রূপক হিসেবে কাজ করে। এই রূপকটি দর্শকের কাছে সরাসরি পৌঁছে, যা হররকে কেবল শারীরিক নয়, মানসিক স্তরে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

সমালোচকরা চলচ্চিত্রের দৃশ্যমান শৈলী ও নির্ভীক গোরকে প্রশংসা করেছেন, যদিও কিছু মন্তব্যে রূপকের অতিরিক্ত সরলতা কিছুটা পুনরাবৃত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবু হ্যানা বার্গহোমের অন্ধকার কমেডি স্পর্শকে বেশ প্রশংসা করা হয়েছে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে সিনেমাটোগ্রাফি জঙ্গলের অন্ধকারকে দক্ষতার সঙ্গে ধারণ করেছে, শব্দ নকশা উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে এবং রক্তশোষী দৃশ্যগুলোতে বাস্তবিক প্র্যাকটিক্যাল ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়েছে, যা দর্শকের ত্বকে শিহরণ জাগায়।

‘নাইটবর্ন’ হরর প্রেমিক ও সামাজিক ব্যঙ্গের সমন্বয় খুঁজছেন এমন দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। তবে রক্তাক্ত ও গ্রাফিক দৃশ্যের জন্য প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন; এই ধরনের বিষয়বস্তুতে সংবেদনশীল দর্শকরা সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments