অভিনেতা অলু সিরিশ ভ্যালেন্টাইন ডে-তে ইনস্টাগ্রাম রিল প্রকাশ করে তার বাগদাতা নয়ানিকা রেড্ডির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। রিলটি ১৪ ফেব্রুয়ারি পোস্ট করা হয় এবং দম্পতির মার্চ ৬-এ বাগদানের পূর্বে তাদের প্রেমের গল্পের কিছু দৃশ্য তুলে ধরেছে।
রিলে দেখা যায় দম্পতি একসাথে কাটানো স্বাভাবিক মুহূর্তগুলো, হাসি-খুশি এবং পারস্পরিক স্নেহের নিঃশব্দ প্রকাশ। ছবিগুলোতে নয়ানিকার হাসি ও অলু সিরিশের স্নেহময় অঙ্গভঙ্গি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, যা ভক্তদের মধ্যে তৎক্ষণাৎ সাড়া জাগায়।
ইনস্টাগ্রাম পোস্টের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ ঢেউ তুলেছে। বহু ভক্ত নয়ানিকা ও অলুকে শুভ বাগদান ও সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। পোস্টটি দ্রুত শেয়ার হয়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে, যা দম্পতির জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
বাগদানের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, এবং গতকাল একটি ঐতিহ্যবাহী পাসুপু (হালদি) অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি ঘনিষ্ঠ পারিবারিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দু’পক্ষের নিকট আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন।
হালদি অনুষ্ঠানটি তেলুগু সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি, যেখানে হলুদ রঙের পেস্ট দম্পতির ত্বকে লাগিয়ে শুভতা ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। রীতিটি রঙিন পোষাক, সঙ্গীত ও নাচের সঙ্গে মিলে একটি উজ্জ্বল পরিবেশ তৈরি করে, যা ভবিষ্যৎ বিবাহের জন্য ইতিবাচক সুর নির্ধারণ করে।
দুই পরিবারের সদস্যরা একত্রে এই রীতিতে অংশগ্রহণ করে পারস্পরিক বন্ধনকে শক্তিশালী করেন। অনুষ্ঠানে প্রাচীন তেলুগু গানের সুরে নাচ, মিষ্টি খাবার এবং পারিবারিক গল্পের আদানপ্রদান দেখা যায়। এই ধরনের সমাবেশ দম্পতির পারিবারিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানায় এবং সামাজিক সমর্থনকে দৃঢ় করে।
পাসুপু অনুষ্ঠানকে সূচনা করে বাগদানের পরবর্তী অনুষ্ঠানগুলোও ধারাবাহিকভাবে নির্ধারিত হয়েছে। রীতি-অনুষ্ঠান, সেজে-সজ্জা এবং অতিথি তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে, যাতে মার্চ ৬-এ সম্পূর্ণ বিবাহের জন্য সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
বিবাহের প্রস্তুতি ও রিলের প্রকাশ সম্পর্কে বলিউড হাঙ্গামা (বলিউড হাঙ্গামা) সূত্রে জানানো হয়েছে। সূত্রটি উল্লেখ করেছে যে দম্পতি উভয়ই সামাজিক মাধ্যমে একে অপরের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশে সক্রিয়।
দম্পতির এই প্রকাশ্য প্রকাশনা ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানগুলো তেলুগু সংস্কৃতির সমৃদ্ধি এবং আধুনিক যুগের প্রেমের প্রকাশের মিশ্রণকে তুলে ধরে। ভক্তরা এই মুহূর্তগুলোকে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে দম্পতির জন্য শুভ কামনা জানাতে পারেন।
বিবাহের দিন পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান চলতে থাকবে, এবং উভয় পরিবার এই সময়ে একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে। এই ধরনের সমন্বয় দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।
অলু সিরিশ ও নয়ানিকা রেড্ডির প্রেমের গল্প এবং তাদের বাগদানের প্রস্তুতি এখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ভক্তদের জন্য এই মুহূর্তগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে সামাজিক নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকা একটি ভালো উপায়।
সামাজিক মাধ্যমে দম্পতির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে, তাদের বাগদানের শুভেচ্ছা প্রকাশ করা এবং ভবিষ্যৎ বিবাহের আপডেট অনুসরণ করা পাঠকদের জন্য একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হতে পারে।



