ঢাকা, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – রাজনৈতিক প্রেস উইং আজ সন্ধ্যা ১৭:৫২ টায় একটি বিবৃতি প্রকাশ করে আব্দুন নূর তুষারের ফেসবুক পোস্টকে ভুয়া বলে চিহ্নিত করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পোস্টে প্রকাশিত তথ্য ও দাবিগুলি যাচাইযোগ্য নয় এবং তা জনমতকে বিভ্রান্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রেস উইংের এই মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গে তুষার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পৃষ্ঠায় একই দিনে একটি পোস্ট শেয়ার করছিলেন, যেখানে তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু মন্তব্য রেখেছিলেন। পোস্টের সঠিক বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে না থাকলেও, প্রেস উইংের দাবি অনুসারে তা বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে নয়।
প্রেস উইংের মুখপাত্র উল্লেখ করেন, “আমরা পোস্টের বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে দেখেছি যে, এতে উল্লেখিত তথ্যের কোনো প্রমাণ নেই এবং তা ভুল তথ্যের প্রচার ঘটাতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “সত্যিকারের তথ্যের ভিত্তিতে জনমত গঠন করা জরুরি, তাই আমরা এই পোস্টকে ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করছি।”
আব্দুন নূর তুষার, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন, তার পোস্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি। তবে তিনি পূর্বে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন, শাসনব্যবস্থা ও নীতি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তার পোস্টের বিষয়বস্তু যদি নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে থাকে, তবে এই বিবৃতি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটি অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
এই ঘটনার সময় দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ তীব্র উত্তেজনায় রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা নির্বাচনের পূর্বে জনসাধারণের মনোযোগ আকর্ষণ করতে নানা ধরনের বক্তব্য ও কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তাছাড়া, শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মন্তব্য ও কার্যক্রমও মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হচ্ছে।
প্রেস উইংের এই পদক্ষেপের পর, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ পেয়েছে। কিছু ব্যবহারকারী প্রেস উইংের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, অন্যদিকে কিছু ব্যবহারকারী তুষারের পোস্টের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আরও তথ্যের দাবি জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তুষার বা তার দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়নি।
প্রেস উইংের বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় একটি নতুন দিক যোগ করেছে। ভবিষ্যতে যদি তুষারের পোস্টের বিষয়বস্তু স্পষ্ট হয়, তবে তা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে, এই ধরনের বিবৃতি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তথ্য যাচাই ও সত্যতা নিশ্চিত করার গুরুত্বকে তুলে ধরছে।
এখন পর্যন্ত সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিষয়ের ওপর কোনো মন্তব্য বা পদক্ষেপের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, যে তথ্যের সত্যতা নিয়ে এই ধরনের বিতর্ক নির্বাচনী সময়ে জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করা সকল রাজনৈতিক সত্তার দায়িত্ব।
প্রেস উইংের এই ঘোষণার পর, দেশের বিভিন্ন মিডিয়া সংস্থা বিষয়টি নিয়ে বিশদ প্রতিবেদন প্রস্তুত করছে। তাছাড়া, নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে তথ্যের সঠিকতা ও ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা, তা পরবর্তী সময়ে স্পষ্ট হবে।



