22 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিচাঁদপুর-৩ের বিএনপি এমপি-ইলেক্ট পাঁচজন দলীয় কর্মীকে পুলিশ হস্তান্তর

চাঁদপুর-৩ের বিএনপি এমপি-ইলেক্ট পাঁচজন দলীয় কর্মীকে পুলিশ হস্তান্তর

চাঁদপুর-৩ থেকে নির্বাচিত বিএনপি এমপি-ইলেক্ট শেইখ ফারিদ আহমেদ আজ নির্বাচনের পর ঘটিত বিশৃঙ্খলার অভিযোগে পাঁচজন দলীয় কর্মীকে স্থানীয় পুলিশ হস্তান্তর করেছেন। এই পদক্ষেপটি নির্বাচনী দিন ও পরবর্তী শুক্রবারে ওয়ার্ড ১৩-এ সংঘটিত হিংসা ঘটনার পর নেওয়া হয়েছে।

হস্তান্তরকৃত ব্যক্তিরা হলেন ২২ বছর বয়সী নাহিদুল ইসলাম জনি, ২৬ বছর বয়সী মোবারক হোসেন বেপারী, ৩০ বছর বয়সী জনি গাজি এবং দুইজন অপরিচিত কর্মী মনির ও ফাহিম। এ সকলের নাম ও বয়স স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই পাঁচজন কর্মী চাঁদপুর শহরের ওয়্যারলেস বাজার এলাকায় থেকে আসা বলে জানা যায়। ওই অঞ্চলটি নির্বাচনের সময় ও পরে দলীয় সমাবেশের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এবং হিংসাত্মক সংঘর্ষের সূত্রপাতের স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

চাঁদপুর সদর মডেল থানা অফিসার‑ইন‑চার্জ মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, হস্তান্তরকৃত কর্মীরা বর্তমানে থানায় আটক রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ যাচাইয়ের পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট ঘটনার সাথে যুক্ত অন্যান্য ব্যক্তিদের গ্রেফতার চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রের মতে, নির্বাচনের দিন ও পরের শুক্রবারে বিরোধী বিএনপি গোষ্ঠীগুলি বারবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। ওয়ার্ড ১৩-এ উভয় দিকের কর্মীরা হাতে তৈরি ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে একে অপরকে আক্রমণ করে, যার ফলে আশেপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের মাত্রা ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে; প্রথমে মৌখিক তর্ক থেকে শুরু করে পরে শারীরিক হিংসা এবং ধারালো অস্ত্রের ব্যবহার দেখা যায়। এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়িয়ে দেয়।

নতুন নির্বাচিত আইনসভা সদস্য শেইখ ফারিদ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের চিহ্নিত করেন এবং তাদেরকে পুলিশ হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ অপরিহার্য।

হস্তান্তরের পর আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হবে, যার মধ্যে রয়েছে প্রমাণ সংগ্রহ, তদন্ত এবং আদালতে মামলা দায়ের করা। সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে বলে আশা করা যায়।

এই ঘটনা চাঁদপুরের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে দলীয় সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি রোধে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোরতা বাড়ানো এবং আইন প্রয়োগে দ্রুততা আনা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধিকন্তু, স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচনী কমিশনকে এই ধরনের হিংসা রোধে তৎপরতা বজায় রাখতে হবে এবং সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেইখ ফারিদ আহমেদের এই পদক্ষেপের পরবর্তী ধাপ হিসেবে পুলিশ অতিরিক্ত তদন্ত চালিয়ে যাবে এবং সংশ্লিষ্ট সকল দায়ী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও শান্তিপূর্ণ সমাধান নিশ্চিত করা হলে নির্বাচনের ফলাফল ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments