শুক্রবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ গৃহীত তথ্য জানিয়ে জানান যে, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ প্রায় এক হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন।
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি উল্লেখ করেন যে, গেজেট নোটিফিকেশন ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে এবং জাতীয় সংসদে ২৯৭টি আসনে নির্বাচিত সকল সদস্যের নাম প্রকাশিত হয়েছে।
শপথের পর প্রতিটি নির্বাচিত দল তাদের সংসদ সদস্যদের মধ্যে নেতা নির্বাচন করবে; সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নির্বাচিত হলে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপিত হবেন।
রাষ্ট্রপতি সংবিধানিক বিধান অনুসারে সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা কে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের প্রস্তাব দেবেন অথবা সরাসরি নিয়োগ করবেন।
নেতা নির্বাচনের পর শপথের জন্য একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করা হবে, যাতে সকল অংশগ্রহণকারী ও অতিথির জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।
শপথ গ্রহণের দায়িত্বের বিষয়ে সচিব জানান, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার অথবা তাদের মনোনীত কেউ শপথ পড়াতে পারেন; যদি এদের মধ্যে কেউ মনোনয়ন না করেন, তবে সরকার থেকে উপযুক্ত ব্যক্তিকে মনোনয়ন করার ব্যবস্থা করা হবে।
এমন ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন অথবা শপথ পাঠ করাতে পারেন, যা সংবিধানের অনুমোদিত পদ্ধতি।
অতিথি তালিকায় বিশিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা, পার্টি নেতা এবং অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যার ফলে শপথ অনুষ্ঠানটি প্রায় এক হাজার উপস্থিতির সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে।
শপথের পর নতুন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে; প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত ব্যক্তি ক্যাবিনেট গঠন করে নীতি নির্ধারণের দিকনির্দেশনা নির্ধারণের কাজ শুরু করবেন।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, এই প্রক্রিয়াগুলোর দ্রুত সম্পন্ন হওয়া বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিকতা রক্ষার পাশাপাশি সংসদীয় কাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করবে।



