28 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিজাতিসংঘের নিউইয়র্কে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে সমর্থন ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি

জাতিসংঘের নিউইয়র্কে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে সমর্থন ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি

জাতিসংঘের নিউইয়র্ক সদর দপ্তরে শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, একটি নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের শান্তিপূর্ণ সম্পন্ন হওয়ার পর পূর্ণ সমর্থন ও সহায়তার প্রতিশ্রুতি জানানো হয়। ব্রিফিংটি জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফান ডুজারিকের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই মুহূর্তে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি ও উৎসাহের প্রয়োজনীয়তা জোর দিয়ে বলা হয়। জাতিসংঘের এই প্রকাশনা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

স্টিফান ডুজারিক উল্লেখ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য বাংলাদেশি জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো জাতিসংঘের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দেশের অভ্যন্তরে সংহতি বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডুজারিকের মতে, জাতিসংঘের সমর্থন শুধুমাত্র নীতিগত নয়, বরং বাস্তবিক সহায়তার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা করবে। এতে দেশের সরকারকে গণতান্ত্রিক নীতি মেনে চলতে এবং আইনের শাসনকে শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিশ্চিত হবে।

মহাসচিব গুতেরেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “বাংলাদেশের জনগণকে নির্বাচনের সফলতা ও শান্তিপূর্ণ সম্পন্ন হওয়ার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” তিনি আরও যোগ করেন, “শান্তি, সমৃদ্ধি এবং জাতীয় সংহতি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় জাতিসংঘের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।” এই বক্তব্যে গুতেরেসের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট যে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। জাতিসংঘের এই প্রতিশ্রুতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক চিত্রকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা যায়।

জাতিসংঘের বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, গণতান্ত্রিক রীতিনীতি, মানবাধিকার রক্ষা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অগ্রাধিকার। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সংহতি জোরদার করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কারকে ত্বরান্বিত করা জরুরি বলে জোর দেওয়া হয়েছে। গুতেরেসের মতে, এসব লক্ষ্য অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং নীতি পরামর্শের প্রয়োজন। জাতিসংঘের এই সমর্থন পরিকল্পনা দেশের আইনগত কাঠামোকে আধুনিকায়ন এবং শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে।

মহাসচিব গুতেরেস বারবার মানবাধিকার রক্ষার গুরুত্ব এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের নীতি অনুসারে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করা মৌলিক লক্ষ্য। এই দৃষ্টিভঙ্গি দেশের অভ্যন্তরে ধর্মীয় ও জাতিগত বৈচিত্র্যের সঙ্গে সহাবস্থানের ভিত্তি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। জাতিসংঘের সহায়তা প্রোগ্রামগুলোতে আইনি প্রশিক্ষণ, মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে গুতেরেসের মন্তব্য উদ্ধৃত করে ডুজারিক বলেন, “গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় সংহতি জোরদার এবং মানবাধিকার ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা চায় জাতিসংঘ।” এছাড়া তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক অংশীদারদের মধ্যে সংলাপ বজায় রাখা এবং সমন্বিত নীতি গঠন দেশের দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য অপরিহার্য। ডুজারিকের মতে, জাতিসংঘের সমর্থন কেবল রেটোরিক নয়, বরং বাস্তবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন সূচকগুলোকে ত্বরান্বিত করবে। এতে বাংলাদেশের সরকারকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সম্পদ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে।

একই ব্রিফিংয়ে রমজান মাসের পবিত্রতা স্মরণ করে গুতেরেস বিশ্বব্যাপী সংঘ

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments