18 C
Dhaka
Saturday, February 14, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধমুন্সীগঞ্জ-৩ নির্বাচনী সহিংসতায় এক যুবক নিহত, দশজন আহত

মুন্সীগঞ্জ-৩ নির্বাচনী সহিংসতায় এক যুবক নিহত, দশজন আহত

শুক্রবার বিকাল মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলা, চরআব্দুল্লাহ গ্রামে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী বিরোধে মারামারি হয়। সংঘর্ষে এক যুবক প্রাণ হারায়, আর দশজন বিভিন্ন আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়।

স্থানীয় থানার ওসিআই মমিনুল ইসলাম জানান, পূর্ববিরোধ এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফলে এই হিংসা ঘটেছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চালু রয়েছে।

আহতদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়; রাত্রিকালীন সময়ে সেখানে একজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়।

মৃত্যুবরণকারী যুবকের নাম জসিম উদ্দিন, যিনি গ্রামটির মাফিক নায়েবের পুত্র। তার পরিবার বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা কমিটির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক।

এই আসনে বিজয়ী হন বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতন, যাকে দানার শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মৃত্যুর পর জসিমের বাবা মাফিক নায়েব এবং বড় ভাই মসিউর নায়েব ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। বাকি আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে সেবা গ্রহণ করছে।

মসিউর নায়েবের মতে, তাদের পরিবার ফুটবল প্রতীকের প্রার্থীকে সমর্থন করায়ই এই ঘটনা ঘটেছে; তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা কখনো কোনো অন্যায় করিনি, কোনো শত্রুতাও ছিল না।” তিনি আরও জানান, বিকালে নাসির ডাক্তার ও তার ছেলে শাকিল দেওয়ানের নেতৃত্বে প্রায় পঞ্চাশ থেকে ষাটজন লোক তাদের বাড়িতে এসে আক্রমণ চালায় এবং তার ভাইকে মারধর করে হত্যা করে।

শাকিল দেওয়ান, যিনি সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক, ঘটনাটিকে অস্বীকার করে বলেন, “সকালবেলায় জসিমের লোকজন আমাদের সমর্থকদের উপর হামলা করে। পরে আমি অভিযোগ করতে থানায় গিয়েছিলাম, তখন জসিম ও তার লোকজন পুনরায় আক্রমণের প্রস্তুতি নেয়। শেষ পর্যন্ত এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে জসিমের দলকে মারধর করে। আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না।”

পুলিশের মতে, হিংসার মূল কারণ নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পূর্ববিরোধের উত্তেজনা, যা দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে শত্রুতা বাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে গ্রেপ্তারীর তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজনদের অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়া হবে।

স্থানীয় আদালতে হিংসা সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে; মামলাটি তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রমাণ সংগ্রহ এবং সাক্ষী শোনার মাধ্যমে অগ্রসর হবে। আইনগত দিক থেকে, হিংসা অপরাধের শাস্তি কঠোরভাবে প্রয়োগের কথা আদালত উল্লেখ করেছে।

বিপুল সংখ্যক লোকজনের অংশগ্রহণ এবং প্রাণহানির পরিণতি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। ভবিষ্যতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে নিরাপত্তা পরিকল্পনা শক্তিশালী করা হবে।

এই ঘটনা নির্বাচনী সময়কালে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সামাজিক শৃঙ্খলার ক্ষয়কে উন্মোচিত করেছে, যা স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতে তৎপরতা দাবি করে।

৮৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডিনিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments