20 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধ২৪ ঘণ্টায় ছয় আরব ইসরায়েলি গুলি করে নিহত, জরুরি অবস্থা জারি

২৪ ঘণ্টায় ছয় আরব ইসরায়েলি গুলি করে নিহত, জরুরি অবস্থা জারি

ইসরায়েলের আরব বসতিগুলোতে গত রাত্রি থেকে মাত্র এক দিনের মধ্যে ছয়জন আরব নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে একজন তরুণ ও একজন প্রাক্তন মেয়রের পুত্রসহ সাধারণ নাগরিক অন্তর্ভুক্ত। ঘটনাগুলো বুধবার রাতের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ঘটেছে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে তীব্রতর করে তুলেছে।

শিকারের মধ্যে ড্রুজ শেখ এবং লড শহরের এক পরিবারভুক্ত ব্যক্তি উল্লেখযোগ্য, যদিও পুরো তালিকা সরকারী সূত্রে প্রকাশিত হয়নি। গুলি চালানোর পদ্ধতি ও অস্ত্রের ধরন সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।

ইসরায়েলি পুলিশ কমিশনার ড্যানি লেভি পরিস্থিতির তীব্রতা বিবেচনা করে দেশের সর্বত্র ‘জাতীয় জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো, গতি সীমিত করা এবং জরুরি সেবা দ্রুততর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অপরদিকে, শিকারের পরিবার ও স্থানীয় নেতারা পুলিশের এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট না বলে সমালোচনা করছেন। রাহাতের প্রাক্তন মেয়র আত্তা আবু মেইদঘিম উল্লেখ করেন, সরকার বিদেশি অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারে, তবে ঘরের কাছের অপরাধীদের দমন করতে ইচ্ছুক নয়। লড শহরের শিকারের পরিবারও পুলিশের উপস্থিতিকে কেবল ‘লোক দেখানো’ বলে অভিহিত করেছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ৪৩ দিনে ইতিমধ্যে ৪৭জন আরব ইসরায়েলি হত্যার শিকার হয়েছে। গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ২৫২ ছিল, যা ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। বিশ্লেষকরা ইঙ্গিত করছেন, চলমান বছরের গতি পূর্বের রেকর্ডকে অতিক্রম করতে পারে।

প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অপরাধী গোষ্ঠীর পারস্পরিক দ্বন্দ্ব এবং পারিবারিক শত্রুতা প্রধান কারণ। গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জমি, ব্যবসা ও গৌরবের জন্য দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ রয়েছে, যা সাধারণ নাগরিক ও পথচারীদের প্রাণহানি ঘটাচ্ছে।

পুলিশ এখনো সন্দেহভাজনদের সনাক্ত করতে পারেনি এবং তদন্তের জন্য বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় শিকারের পরিবারকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হবে এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য forensic দল কাজ করবে। আদালত আগামী সপ্তাহে প্রাথমিক শুনানি নির্ধারণের কথা জানিয়েছে, যাতে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় বাড়াতে এবং গোষ্ঠীগত সহিংসতা দমন করতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতীয় জরুরি অবস্থা বজায় রেখে, সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করে পুনরায় এমন ঘটনা রোধ করা জরুরি।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments