বিএনপি স্ট্যান্ডিং কমিটি সদস্য সালাহুদ্দিন আহমেদ গুলশানের পার্টি অফিসে ৩ টা নাগাদ জানিয়েছেন, দল ভারতের সঙ্গে সমন্বয় করে ousted প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করার দাবি করবে, যাতে তিনি বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে পারেন।
সালাহুদ্দিনের মতে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে করা হবে এবং তা বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়।
তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে জনগণ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের মতামত প্রকাশ করেছে এবং তা একটি বৃহৎ প্রতিবাদে রূপান্তরিত হয়েছে।
বিএনপি নেতা দাবি করেন, কোয়াসবাজার‑১ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী না হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে জয়ী হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন এবং এখন দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে শক্তিশালী করার কাজ চলছে।
সালাহুদ্দিনের বক্তব্যে উল্লেখ আছে, পার্টির ৩১‑পয়েন্টের এজেন্ডা এখনো তাদের ম্যানিফেস্টোর মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে এবং তা দেশের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি জুলাই মাসে স্বাক্ষরিত জাতীয় চাটার কথাও তুলে ধরেছেন, যা সকল স্টেকহোল্ডারের মধ্যে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হিসেবে বিবেচিত এবং তা সম্পূর্ণভাবে মেনে চলা হবে।
বিএনপি ভবিষ্যৎ সংসদকে স্বাধীনতা অর্জনের পর সর্বোচ্চ আইনপ্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে চায় এবং নতুন সংসদকে স্বাধীনতার পর থেকে সর্বাধিক কার্যকরী বলে দাবি করা হয়েছে।
সালাহুদ্দিনের মতে, সংবিধান সংশোধনীগুলো জনগণের প্রত্যাশা, আত্মত্যাগী বীরদের স্বপ্ন এবং তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী গৃহীত হবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন, ফলাফলকে দ্রুত গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হোক, যাতে বিকাল পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের সময়সূচি নির্ধারিত হয় এবং সংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী কাজ শুরু হয়।
এই ধারাবাহিকতা অনুসারে, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর আইনসভার কার্যক্রম শুরু হবে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন দিকনির্দেশনা গড়ে তুলবে।



