16 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeবিনোদনবেরলিনের ফেস্টিভ্যাল স্মৃতি, স্ট্রিট আর্ট গন্তব্য ও খাবারের প্রস্তাবনা অনুভূতি

বেরলিনের ফেস্টিভ্যাল স্মৃতি, স্ট্রিট আর্ট গন্তব্য ও খাবারের প্রস্তাবনা অনুভূতি

বেরলিনের সাংস্কৃতিক দৃশ্যের সঙ্গে যুক্ত এক তরুণ সাংবাদিক জোয়ি মন্টেইরো, শহরের ফেস্টিভ্যাল, স্ট্রিট আর্ট এবং খাবারের কিছু বিশেষ অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি ২০০৫ সালের বার্লিনালেতে “হোটেল রুয়ান্ডা” চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীতে পল রুসেসাবাগিনার উপস্থিতি উল্লেখ করেন, যা দর্শকদের মধ্যে গভীর আবেগের স্রোত তৈরি করেছিল। চলচ্চিত্রের শেষ দৃশ্যে রুসেসাবিগনা ও তার পরিবার মঞ্চে প্রবেশ করার মুহূর্তে হলের পরিবেশ এক অনন্য উচ্ছ্বাসে পরিণত হয়, যা পরবর্তীতে পুনরাবৃত্তি করা কঠিন বলে তিনি মনে করেন।

পঞ্চদশ বছর, ২০১৫ সালে, বার্লিনালেতে “কুইন অফ দ্য ডেজার্ট” চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীতে জার্মান চলচ্চিত্র নির্মাতা ওয়্যার্নার হেরজগের সঙ্গে দুই দিন কাটানোর সুযোগ পান। হেরজগের স্বরভঙ্গি সরাসরি শোনার অভিজ্ঞতা, জার্মানির সাংস্কৃতিক মঞ্চে এক স্বপ্নের মতো অনুভূতি তৈরি করে। তার উপস্থিতি ও কথাবার্তা শৈল্পিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করে তুলেছিল।

বার্লিনের গোপন গলি “ডেড চিকেন অ্যালি” হঠাৎ করে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রাচীর ভাঙার পর পরিত্যক্ত ভবনগুলো শিল্পীদের জন্য নতুন ক্যানভাস হয়ে ওঠে, আর এই গলি সেই সৃজনশীল উন্মাদনার একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ। গলিতে রঙিন গ্রাফিতি, স্টিকার এবং মুরাল একত্রে শহরের স্বাধীন আত্মাকে প্রকাশ করে। যদিও পর্যটন গাইডে এই স্থানটি উল্লেখ নেই, তবে স্থানীয়দের মতে এটি বার্লিনের প্রকৃত রঙের প্রতিফলন।

শীতের বার্লিনে উষ্ণ থাকতে তিনি তাপযুক্ত অন্তর্বাস, চলাচল বজায় রাখা এবং নীয়ন রঙের বিনি পরার পরামর্শ দেন। তাপমাত্রা কমে গেলে শরীরের গরম বজায় রাখতে সক্রিয় থাকা জরুরি, আর নীয়ন বিনি শুধু শীত থেকে রক্ষা করে না, স্টাইলেরও একটি অংশ। যারা ফ্যাশন সচেতন, তাদের জন্য এই বিনি একটি আকর্ষণীয় পছন্দ হতে পারে।

ফেস্টিভ্যালের সময় রোগের ঝুঁকি কমাতে তিনি স্বাগত জানাতে কিসের বদলে ফিস্ট বাম্প ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। গরম আলিঙ্গনের বদলে হাতের টোকা দিয়ে শুভেচ্ছা জানালে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে যায়, বিশেষ করে ভিড়ের পরিবেশে। স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এই ছোট্ট পরিবর্তনটি বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

বার্লিনে খাবারের ক্ষেত্রে জোয়ি মন্টেইরোর প্রিয় রেস্টুরেন্ট হল মঁসিয়ার ভুয়ং। সায়গনের ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশনকারী এই ভিয়েতনামী রেস্তোরাঁটি তার প্রথম এবং শেষ খাবার হিসেবে প্রায়ই বেছে নেন। তাজা হার্ব, সুগন্ধি স্যুপ এবং রঙিন নুডলসের স্বাদ শহরের ব্যস্ততা থেকে এক স্বল্প বিরতি দেয়।

বার্লিনের ভিয়েতনামী সম্প্রদায় শহরের খাদ্য সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর যোগ করেছে। মঁসিয়ার ভুয়ংের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো শুধু খাবারই নয়, সংস্কৃতির আদান-প্রদানও ঘটায়। এই বৈচিত্র্য শহরের রন্ধনশৈলীর সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে।

বার্লিনে ভ্রমণকারী যারা ফেস্টিভ্যাল, শিল্প এবং খাবারের সমন্বয় খুঁজছেন, তাদের জন্য এই তিনটি দিক—ইতিহাসিক চলচ্চিত্রের স্মরণ, গলির স্ট্রিট আর্ট এবং ভিয়েতনামী রন্ধনশৈলী—একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। শহরের গরম বিনি, ফিস্ট বাম্পের অভ্যাস এবং ডেড চিকেন অ্যালির রঙিন দৃশ্য একসাথে বার্লিনের অনন্য চরিত্রকে তুলে ধরে। এই উপাদানগুলোকে মিশিয়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা করলে বার্লিনের সত্যিকারের রঙ ও স্বাদ অনুভব করা সম্ভব।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Hollywood Reporter – Movies
বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
AI-powered বিনোদন content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments