17 C
Dhaka
Friday, February 13, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিময়মনসিংহ‑১১-এ ভোটকেন্দ্রে পাঁচজন তরুণ সিল মেরেছেন, সিসিটিভি‑তে ধরা

ময়মনসিংহ‑১১-এ ভোটকেন্দ্রে পাঁচজন তরুণ সিল মেরেছেন, সিসিটিভি‑তে ধরা

ময়মনসিংহ‑১১ (ভালুকা) আসনের মেদুয়ারী ইউনিয়নের লেহাবৈ‑বরাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার দুপুরে পাঁচজন তরুণ ভোটকেন্দ্রের বুথে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মেরার ঘটনা ঘটেছে। সিল মেরার কাজটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে, ফলে তৎক্ষণাৎ পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হন।

ঘটনা ঘটার পর সিসিটিভি রেকর্ডিং দেখার সঙ্গে সঙ্গেই উপজেলা পরিষদের কন্ট্রোল রুমে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের দল পৌঁছায়। তারা দ্রুত现场 তদন্ত শুরু করে এবং সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত করে।

প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, ওই কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাজের পদ্ধতিতে ত্রুটি ছিল, ফলে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। অব্যাহতি পাওয়ার পর অন্য একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে ভোটগ্রহণ পুনরায় চালু করা হয়।

অব্যাহতি প্রাপ্ত কর্মকর্তার পরিবর্তে নতুন কর্মকর্তা নিযুক্ত হওয়ার পর ভোটগ্রহণ প্রায় অর্ধ ঘন্টার জন্য বন্ধ থাকে। বন্ধের সময় ভোটারদের অপেক্ষা কমাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং ভোট গ্রহণ পুনরায় শুরু করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন জানান, সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার দৃশ্য দেখা মাত্রই পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের হস্তক্ষেপ হয়। তিনি উল্লেখ করেন, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাজের পদ্ধতিতে কিছুটা দুর্বলতা ছিল, তাই তাকে অব্যাহতি দিয়ে অন্য কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে।

ফিরোজ হোসেনের মতে, সিল মেরার কাজটি সম্ভবত ৫০ থেকে ১০০টি ব্যালটে সীমাবদ্ধ ছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী আইনের অধীনে যদি ব্যালটে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার সিল‑স্বাক্ষর না থাকে, তবে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে এবং অবৈধ ব্যালটের কোনো গণনা করা যাবে না।

অবৈধ ব্যালটের গণনা না করার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, নির্বাচনী কমিশন সংশ্লিষ্ট ব্যালটগুলোকে গণনা তালিকা থেকে বাদ দেয়। ফলে ভোটের মোট সংখ্যা ও ফলাফলে কোনো প্রভাব না পড়ে।

ব্যালট পেপারে সিল মেরার আগে ইতিমধ্যে ভোট দেওয়া ছিল এমন পাঁচজনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে; তাদের মধ্যে একজনের নাম আবু সাদিক কায়েম, এবং তারা ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ভোট দিয়েছিলেন। এই তথ্যটি নির্বাচনী রেকর্ডে নথিভুক্ত রয়েছে।

আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে, সিল‑বিহীন ব্যালটকে অবৈধ ঘোষণা করা হলে, সংশ্লিষ্ট ভোটারদের ভোট পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ফিরোজ হোসেন জানান, দ্রুততম সময়ে ভোটারদের পুনরায় ভোটগ্রহণের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

এই ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নির্বাচনী কমিশন বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত তদারকি বাড়াতে পারে এবং ভবিষ্যতে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করতে পারে।

অবশেষে, স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, সিল মেরার মতো অনিয়ম রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনার পরবর্তী পর্যায়ে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তদন্ত চালু থাকবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments