ঢাকা-১০ আসনের সিটি কলেজ কেন্দ্রের ভোটকেন্দ্রে গত বৃহস্পতিবার জুবাইদা রহমান, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী, তার বয়স্ক মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন। জুবাইদা, তারেক এবং কন্যা জাইমা রহমান গুলশান-২ নম্বরের গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম ভোট দেন, এরপর জুবাইদা মা‑কে ভোটকেন্দ্রের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ধানমন্ডির নিজ বাড়িতে গিয়ে প্রস্তুতি নেন।
গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভোট দেওয়ার পর জুবাইদা দ্রুত ধানমন্ডি পথে রওনা হন, যেখানে তার মা‑এর বাসা অবস্থিত। মা‑এর বাড়িতে পৌঁছে তিনি ভোটের জন্য প্রয়োজনীয় নথি ও পরিচয়পত্র যাচাই করেন, তারপর দুজন একসাথে সিটি কলেজের দিকে রওনা হন। গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় প্রায় বিকেল দুইটা দশ মিনিটের দিকে, সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ভোটের তালিকায় নাম লেখিয়ে ভোট দেন।
ভোটের পর জুবাইদা মা‑কে গাড়িতে তুলে নিয়ে গন্তব্যস্থল থেকে বেরিয়ে আসেন। তিনি আলাদা একটি গাড়িতে করে সিটি কলেজ কেন্দ্র থেকে প্রস্থান করেন, যেখানে তিনি এবং তার পরিবার কয়েকজন দলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে বিএনপি‑এর ঢাকা-১০ আসনের মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম এবং অন্যান্য দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
বিএনপি পক্ষের মতে, বৃদ্ধ নাগরিকদের ভোটদান প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। জুবাইদা রহমানের মা‑কে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া এই বার্তাকে দৃঢ় করার একটি উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পার্টির বয়স্ক ভোটারদের প্রতি সম্মান ও সমর্থনকে প্রকাশ করে।
প্রতিপক্ষের বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটের দিন এমন ঘটনা পার্টির ইমেজকে সুদৃঢ় করতে পারে, বিশেষ করে যখন উচ্চপর্যায়ের নেতার পরিবারিক সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যায়। তবে কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বা অনুমান ছাড়া, শুধুমাত্র ঘটনার বাস্তব তথ্যই উপস্থাপন করা হয়েছে।
এই ভোটদান কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ হিসেবে, বিএনপি দল তার নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাবে এবং ভোটারদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইভেন্টের পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে বয়স্ক ভোটারদের সমর্থন জোরদার করতে, পার্টি স্থানীয় স্তরে বাড়ি-ঘরে ঘুরে ভোটার তালিকা যাচাই এবং ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।
সিটি কলেজ কেন্দ্রের উপস্থিতি এবং ভোটের সময়সূচি দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সময়মত সম্পন্ন হওয়ার একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভোটদান শেষে গন্তব্যস্থল থেকে প্রস্থানকারী গাড়িগুলোর সুশৃঙ্খল চলাচল এবং নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিচালনায় সহায়তা করেছে।
জাতীয় নির্বাচনের পরবর্তী পর্যায়ে, ভোটের ফলাফল নির্ধারণের সঙ্গে সঙ্গে পার্টিগুলোর কৌশলগত পদক্ষেপও স্পষ্ট হবে। জুবাইদা রহমানের মা‑কে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার এই ঘটনা, পার্টির সংগঠন ও পরিবারিক সমর্থনের সমন্বয়কে তুলে ধরে, যা আসন্ন নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমানে ভোটের গণনা ও ফলাফল ঘোষণার অপেক্ষায় দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণভাবে চলমান।



