প্রিন্স হ্যারি, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায়, সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ তুলতে থাকা শোকাহত পরিবারগুলিকে ধন্যবাদ জানিয়ে কথা বললেন। এই মামলাটি ইনস্টাগ্রাম (মেটা মালিকানাধীন) ও ইউটিউবকে লক্ষ্য করে, যেখানে তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাবের প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। শোকাহত পিতামাতারা আদালতে উপস্থিত হয়ে তাদের কষ্টের গল্প পুনরায় শেয়ার করছেন। এই মামলাটি প্রযুক্তি শিল্পের ওপর নিয়ন্ত্রক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মামলাটির মূল দাবি হল এই দুই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের আসক্তি বাড়ানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, ফলে শিশু ও কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। ইউটিউব ও মেটা প্রতিনিধিরা এই অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করে, প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ব্যবহারকারী নির্দেশিকা উল্লেখ করে। আদালতে উভয় পক্ষের আইনজীবী এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্কে লিপ্ত হয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা বাড়াতে নিরাপত্তা মানকে উপেক্ষা করে।
শোকাহত পরিবারগুলো দাবি করে যে, তাদের সন্তানদের অনলাইন চ্যালেঞ্জ বা অপ্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তুতে জড়িয়ে মারাত্মক পরিণতি ঘটেছে, এবং এই ঘটনার দায়িত্ব সামাজিক মিডিয়ার নকশায় খুঁজে পায়। প্রিন্স হ্যারি এই পরিবারগুলোর কষ্টের পুনরাবৃত্তি ও তাদের কণ্ঠস্বরকে শোনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, সত্য, ন্যায়বিচার ও দায়িত্বশীলতা এই মামলায় মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। তারা ক্ষতিপূরণ চাওয়ার পাশাপাশি সামাজিক মিডিয়ার নীতি সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।
প্রিন্স হ্যারি আদালতে উপস্থিত হয়ে শোকাহত পিতামাতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ডেভিড ও গলিয়াথের তুলনা করে বলেছিলেন, এই মামলাটি ছোট পরিবারগুলোর বড় কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে লড়াই। তিনি নিজেও অতীতে অনুরূপ পরিস্থিতি অনুভব করেছেন, যদিও তা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। হ্যারি নিজেও মিডিয়া নজরদারির ফলে ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন, যা তাকে এই বিষয়ের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলেছে।
হ্যারি গত বছর শিশুদের সামাজিক মিডিয়া থেকে সৃষ্ট ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য একটি ব্যাপক ক্য



