গোড়াশাল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের শেষ পর্যায়ে এনসিপিআই যুগ্ম আহ্বায়ক ও নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের প্রার্থী সারোয়ার তুষার কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হিংসা ঘটার অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বৃহস্পতিবার সকাল ভোট শেষ করার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে তার দলের কর্মী ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় নির্বাচনী পরিবেশে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
সারোয়ার তুষার জানান, আমদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কান্দাইল এলাকায় ক্যাম্প স্থাপন করতে গিয়ে বিএনপি সমর্থকরা বাধা সৃষ্টি করে এবং ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ঘন ঘন গমনাগমন করে। তিনি বলেন, এই বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে, তবে এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন যে ভোটার এবং তার দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে হুমকি ও ভয়ভীতি অনুভব করছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের হুমকি নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও শান্তিপূর্ণ পরিচালনাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং প্রশাসনকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।
সারোয়ার তুষার আরও জানিয়েছেন যে ঘোড়াশাল পৌরসভা এলাকায় প্রচুর অস্ত্রের উপস্থিতি সম্পর্কে তিনি প্রশাসনকে জানিয়েছেন, তবে এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আশাবাদী যে নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বিএনপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগের প্রতি কী প্রতিক্রিয়া জানানো হবে তা বর্তমানে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দলীয় প্রতিনিধিরা এখনও কোনো মন্তব্য করেননি, তবে বিষয়টি নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কোড অব কন্ডাক্টের সম্ভাব্য লঙ্ঘন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। নির্বাচনের ফলাফল ও ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবিশ্বাসের বীজ বপন হতে পারে।
সারোয়ার তুষার উল্লেখ করেন যে তিনি এবং তার দল শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচনের জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চায়। তিনি ভোটের দিন নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন, যাতে ভোটাররা কোনো ভয় ছাড়াই তাদের ভোট দিতে পারেন।
এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে জানানো হয়েছে। নির্বাচনের অগ্রগতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সকল রাজনৈতিক দলকে আইন মেনে চলা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা রক্ষায় সহযোগিতা করা জরুরি।
ভবিষ্যতে যদি এই অভিযোগের যথাযথ সমাধান না হয়, তবে এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তাই প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



