21 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধশাহবাগে ১৯ বছর বয়সীর জ্যাকেটে লেখা 'বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবির' ও...

শাহবাগে ১৯ বছর বয়সীর জ্যাকেটে লেখা ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবির’ ও পাওয়া খেলনা পিস্তল

শাহবাগ, ঢাকা – ১৯ বছর বয়সী সজীব আব্দুল্লাহকে বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলমের নির্দেশে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকালে তল্লাশি করা হলে তার প্যান্ট ও জ্যাকেটের পেছনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কভারযুক্ত একটি পিস্তল পাওয়া যায়। পরবর্তী পরীক্ষা দেখায়, ঐ পিস্তলটি বাস্তব অস্ত্র নয়, কেবল খেলনা পিস্তল।

সজীবের জ্যাকেটটি হলুদ রঙের, হাতা কাটা, এবং জ্যাকেটের পেছনে বড় অক্ষরে “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ছাত্র শিবির” লেখা ছিল। এই লেবেলটি রাজনৈতিক সংগঠন ও তার ছাত্র শিবিরের সঙ্গে সম্পর্ক নির্দেশ করে, তবে সজীবের এই সংগঠনের সদস্যতা বা শিবিরের সঙ্গে কোনো সংযোগ আছে কিনা তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

গ্রেফতারকৃত যুবকের জামাকাপড়ের মধ্যে পাওয়া খেলনা পিস্তলটি কভারযুক্ত ছিল, ফলে প্রথমে তা বাস্তব অস্ত্র হিসেবে ধরা হয়। তদুপরি, পিস্তলের কভারটি রঙিন ও প্লাস্টিকের তৈরি, যা কোনো গুলিবিদ্ধের সম্ভাবনা নেই। পুলিশ তল্লাশি শেষে পিস্তলটি নিরাপদে সংরক্ষণ করে, এবং প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তকে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম গ্রেফতার ও তল্লাশি সংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে বলেন, “পিস্তলটি খেলনা কভারযুক্ত, তবে কেন সজীব তা বহন করছিলেন, বিশেষ করে নির্বাচনের সময়ে, তা জানার জন্য তদন্ত চলছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সজীবের জামাকাপড়ে থাকা লেবেলটি রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, তবে তা নিশ্চিত করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এই ঘটনার পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সজীবের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের অভিযোগ আনবে তা নির্ধারণের জন্য আইনি পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। যদি প্রমাণে দেখা যায় যে তিনি কোনো অবৈধ অস্ত্র বহন করেছেন, তবে অস্ত্র আইন অনুযায়ী শাস্তি আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে পাওয়া পিস্তলটি খেলনা হওয়ায়, তা অবৈধ অস্ত্রের ধারা প্রয়োগের বাইরে থাকতে পারে।

তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নির্বাচনের সময়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাব্য প্রভাব। নির্বাচনকালীন রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, কোনো রাজনৈতিক লেবেলযুক্ত ব্যক্তি যদি অস্ত্র বহন করে ধরা পড়ে, তা নিরাপত্তা সংস্থার জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাই, রমনা বিভাগের কর্মকর্তারা এই ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করতে অতিরিক্ত সাক্ষাৎকার ও তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, সজীবের গ্রেফতার ও তল্লাশি প্রক্রিয়ায় কোনো সহিংসতা বা হুমকি দেখা যায়নি। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে স্থানীয় জেলখানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে, এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনতে হলে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

অধিকন্তু, পুলিশ জোর দিয়ে বলছে যে, রাজনৈতিক লেবেলযুক্ত কোনো পোশাক বা চিহ্ন থাকলেও, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধের সূচক নয়। তবে, অস্ত্র বা তার অনুকরণী বস্তু বহন করা আইনগত দায়িত্বের আওতায় পড়ে, এবং তা প্রমাণিত হলে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

এই ঘটনার পর, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জনসাধারণকে সতর্ক করেছে যে, কোনো ধরনের অস্ত্রের অনুকরণী বস্তু বহন করা আইন অনুসারে শাস্তিযোগ্য হতে পারে। এছাড়া, রাজনৈতিক লেবেলযুক্ত পোশাক পরিধান করার সময়, বিশেষ করে নির্বাচনের সময়ে, নিরাপত্তা সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সজীবের বিরুদ্ধে আনতে পারে এমন অভিযোগের তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, এবং তদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তদন্ত চলাকালীন সময়ে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য সংরক্ষণ করে, এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আদালতে উপস্থাপন করবে।

৭৮/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বাংলানিউজ২৪
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments