আফগানিস্তানের সবরাউন্ডার মোহাম্মদ নাবি বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা এ বিপক্ষে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপের ম্যাচে অডারদের সিদ্ধান্ত অমান্য করার জন্য ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ জরিমানা পেয়েছেন। এই শাস্তি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আচরণবিধি লঙ্ঘনের ফলস্বরূপ আরোপিত হয়।
ঘটনাটি আফগানিস্তানের ইনিংসের ১৪ নম্বর ওভারে ঘটেছে। নাবি লঙ্গি এনগিডির কব্জির ব্যান্ড নিয়ে অডারদের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের তর্কে লিপ্ত হন। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র মতবিরোধের পর অডাররা নাবির আচরণকে অনুপযুক্ত বলে চিহ্নিত করেন।
আইসিসি কোড অব কন্ডাক্টের লেভেল ১ লঙ্ঘনের ভিত্তিতে নাবির বিরুদ্ধে শাস্তি আরোপিত হয়। লেভেল ১ লঙ্ঘন সাধারণত অডারদের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা, অনুপযুক্ত ভাষা ব্যবহার বা ম্যাচের প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা অন্তর্ভুক্ত করে। এই ক্ষেত্রে নাবি অডারদের সিদ্ধান্তকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে ম্যাচের স্বাভাবিক প্রবাহকে ব্যাহত করেন।
নাবি ঘটনাটির পর দোষ স্বীকার করেন এবং ডেভিড গিলবার্ট, যিনি এমিরেটস আইসিসি আন্তর্জাতিক প্যানেল অফ ম্যাচ রেফারেজের সদস্য, তার প্রস্তাবিত শাস্তি গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। শাস্তি হিসেবে তিনি তার ম্যাচ ফি’র ১৫ শতাংশ অর্থ প্রদান করবেন, যা তার আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। অতিরিক্ত কোনো সাসপেনশন বা ম্যাচে অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা আরোপিত হয়নি।
ম্যাচটি আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্যায়ের অংশ ছিল, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা এ এবং আফগানিস্তান দুটো দলই টুর্নামেন্টের শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল। উভয় দলের পারফরম্যান্সের ওপর নজর থাকলেও নাবির শাস্তি এই ম্যাচের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
আইসিসি কর্মকর্তারা অডারদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে জানান যে, ম্যাচের ন্যায্যতা এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকল অংশগ্রহণকারীকে আচরণবিধি মেনে চলা আবশ্যক। নাবির এই ঘটনা ভবিষ্যতে অনুরূপ আচরণ রোধে সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে।
আফগানিস্তান দল এখন টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে তারা গ্রুপে বাকি প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। নাবির শাস্তি সত্ত্বেও দলের মনোভাব স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা চলবে, এবং তারা টুর্নামেন্টে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে পারে।



