28 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা ভোটের পর ইসলাম ও শারিয়াহ সমর্থনের আহ্বান জানালেন

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা ভোটের পর ইসলাম ও শারিয়াহ সমর্থনের আহ্বান জানালেন

ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েব‑এ‑আমের সাইয়েদ মুহাম্মদ ফয়েজুল করিম বারিশাল শহরের রুপাতলি লালার দিঘিরপার সরকারি প্রাইমারি স্কুলে সকাল ৮:২২ টায় ভোটদান শেষে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি ভোটারদেরকে “ইসলাম ও শারিয়াহ”কে সমর্থনকারী প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দিতে আহ্বান জানান এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরেন।

ভোটদান শেষে ফয়েজুল করিম বলেন, তিনি আশা করেন যে জনগণ ধর্মীয় নীতি ও শারিয়াহ ভিত্তিক প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেবে। এই বক্তব্য তার দলীয় নীতি ও নির্বাচনী কৌশলের একটি স্পষ্ট দিক নির্দেশ করে।

তিনি নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অনুরোধ করেন, যেন ভোটাররা কোনো ধরণের হুমকি বা বাধা ছাড়াই স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দ প্রকাশ করতে পারে। স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ নিশ্চিত করা সকলের অধিকার, এ কথাটি তিনি জোর দিয়ে বলেন।

ফয়েজুল করিম উল্লেখ করেন, গত রাত্রে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তিনি এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য সতর্কতা প্রকাশ করেন এবং বিশেষ করে ভোটের দিন কেন্দ্রগুলো দখল করার কোনো প্রচেষ্টা না করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ইচ্ছা যদি নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিকৃত হয়, তা স্বীকৃত গণতান্ত্রিক নীতি লঙ্ঘন হবে। তাই কোনো প্রকারের নির্বাচনকৌশল বা জালিয়াতি না ঘটার জন্য সকল পক্ষের সতর্কতা প্রয়োজন।

ভোটের সামগ্রিক পরিবেশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে ফয়েজুল করিম মন্তব্য করেন, এখন পর্যন্ত ভোটদান প্রক্রিয়া মসৃণভাবে চলছে এবং পরিবেশটি সন্তোষজনক। তবে তিনি স্বীকার করেন, পুরো ভোটদান শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়।

তিনি যোগ করেন, ভোটের শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাওয়া এবং ফলাফল ঘোষণার পরই পুরো প্রক্রিয়ার সঠিকতা নির্ধারণ করা যাবে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি সকল ভোটকেন্দ্রের পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দেন।

জাতীয় পর্যায়ে চলমান এই নির্বাচনে বিভিন্ন দল ও সংগঠন তাদের নিজস্ব লক্ষ্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের এই ধরনের প্রকাশনা তার সমর্থকদের মধ্যে ধর্মীয় ভিত্তিক ভোটের প্রবণতা বাড়াতে চায়।

ফয়েজুল করিমের এই মন্তব্যের ফলে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের একটি নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে, যা নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। তার দলীয় সমর্থকরা যদি তার আহ্বান মেনে চলে, তবে ইসলামিক নীতি ভিত্তিক প্রার্থীদের জয় সম্ভাবনা বাড়বে।

অন্যদিকে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি করে চলেছে। ফয়েজুল করিমের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত আহ্বানকে তারা সমর্থন বা সমালোচনা করে, তা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক আলোচনার একটি অংশ হবে।

নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত কোনো বড় প্রতিবন্ধকতা জানায়নি, তবে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ বাড়াতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভোটারদের স্বেচ্ছা ইচ্ছা রক্ষা করা এখনো মূল চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

ভোটের শেষ দিন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটদান চলতে থাকবে, এবং ফলাফল ঘোষণার পরই রাজনৈতিক শক্তির পুনর্বিন্যাস স্পষ্ট হবে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের এই সময়ে তার ধর্মীয় বার্তা দিয়ে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments