লক্ষ্মীপুর‑৩ (সদর) আসনের ভোটদান কেন্দ্র লামচরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নিজের ভোট ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার শান্তিপূর্ণ পরিবেশের প্রশংসা করেন।
এ্যানি ভোটকক্ষে প্রথম ভোটার হিসেবে তার ভোট দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে তার মন্তব্য শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “দীর্ঘ অপেক্ষার পর সুন্দর পরিবেশ পেয়েছি। এই পরিবেশের মাধ্যমে দেশবাসী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।”
প্রার্থী আরও যোগ করেন, “শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলে আমরা নেতৃত্ব গড়ে তুলতে পারি, নির্বাচিত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারি এবং লক্ষ্মীপুরবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকবে। ভবিষ্যতে আমাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে।”
ভোটদান কেন্দ্রের পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ। এ্যানি তার বক্তব্যে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সুষ্ঠু পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ভোটদান শেষে, বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী ওহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি এবং অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি প্রার্থীর ভোটদানকে রাজনৈতিক সমর্থন ও স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
লক্ষ্মীপুর‑৩ (সদর) আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জামাতের প্রার্থী রেজাউল করিম এবং অন্যান্য চারজন প্রার্থী এই নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন।
এই নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা প্রকাশ করে, তবে ভোটদান কেন্দ্রের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে সকল প্রার্থী ও দলীয় কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নির্বাচনী কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটদান প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোনো প্রতিবন্ধকতা বা অশান্তি রিপোর্ট করা হয়নি। ভোটদান শেষে ভোটগণনা ও ফলাফল ঘোষণার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনার মূল বিষয়গুলোতে উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা অন্তর্ভুক্ত। এ্যানি তার বক্তব্যে বিশেষভাবে লক্ষ্মীপুরের কৃষি ও বাণিজ্যিক উন্নয়নের ওপর জোর দেন, যা স্থানীয় জনগণের জীবনের মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।
জামাতের প্রার্থী রেজাউল করিমও ভোটদান কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব উল্লেখ করেন।
বিএনপি ও জামাতের পাশাপাশি অন্যান্য পার্টির প্রার্থীরাও ভোটদান কেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন, যা নির্বাচনের বহুমুখী অংশগ্রহণের সূচক। সকল প্রার্থী সমান সুযোগে ভোটদানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এই ভোটদান কার্যক্রমের পরবর্তী ধাপ হিসেবে ভোটগণনা ও ফলাফল ঘোষণার জন্য নির্বাচনী কমিশন নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করবে। ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা লক্ষ্মীপুরের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করবে।



