18 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্যাম বন্ডি জেফ্রি এপস্টেইন ফাইল নিয়ে কংগ্রেসে তীব্র সাক্ষ্য

প্যাম বন্ডি জেফ্রি এপস্টেইন ফাইল নিয়ে কংগ্রেসে তীব্র সাক্ষ্য

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রধান প্যাম বন্ডি বুধবার হাউস জুডিশিয়ারি কমিটিতে জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত ফাইল প্রকাশের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তিনি এপস্টেইনকে ‘দানব’ বলে শিকারের প্রতি দুঃখ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বিচার বিভাগের কাজের যথার্থতা রক্ষা করার দাবি করেন। এই সাক্ষ্যটি চার ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং প্রশ্নোত্তরে তীব্র উত্তেজনা দেখা যায়।

বিচার বিভাগ এই বছর শুরুর দিকে এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের লক্ষ লক্ষ নথি প্রকাশ করে, যা পূর্বে গোপন রাখা ছিল। প্রকাশের সময় আইনগতভাবে শিকারদের নাম গোপন রাখা বাধ্যতামূলক, তবে কিছু নথিতে তা সঠিকভাবে মুছে ফেলা হয়নি বলে সমালোচনা উঠে।

বন্ডি তার উদ্বোধনী বক্তব্যে এপস্টেইনকে ‘দানব’ বলে শিকারের প্রতি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন, শিকারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব। তিনি যুক্তি দেন, ফাইল প্রকাশের সময়সীমা আইন দ্বারা নির্ধারিত, এবং তার অধীনে কর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন গোপনীয়তা রক্ষা করতে।

সাক্ষ্যে এপস্টেইনের শিকারদেরও উপস্থিতি দেখা যায়। শিকারদের উপস্থিতি নিয়ে কিছু আইনসভার সদস্য শিকারের অধিকার ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শিকারেরা যখন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তখন বন্ডি তাদের প্রতি ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

বিধানসভার সদস্যরা বিশেষ করে গোপনীয়তা রক্ষা না করা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি প্রমিলা জয়াপাল উল্লেখ করেন, কিছু ক্ষেত্রে শিকারের নগ্ন ছবি প্রকাশ পেয়েছে, যদিও তাদের পরিচয় দশকেরও বেশি সময় ধরে গোপন রাখা উচিত ছিল।

জয়াপাল শিকারদেরকে হাতে চিহ্ন তুলতে বলেন, যাতে দেখা যায় কতজন শিকার এখনও বিচার বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। তার অনুরোধে শিকাররা সবাই উঠে হাত তুলেন, যা কংগ্রেসের মঞ্চে একটি দৃশ্যমান প্রতিবাদ হিসেবে প্রকাশ পায়।

এরপর জয়াপাল বন্ডি থেকে শিকারদের প্রতি ক্ষমা প্রার্থনা করার দাবি করেন, বিশেষ করে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য। বন্ডি এই দাবিকে ‘নাট্য’ বলে খারিজ করেন এবং বলেন, তিনি এই ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণে জড়াতে চান না।

সাক্ষ্যের মাঝখানে বন্ডি এক ডেমোক্র্যাট আইনসভার সদস্যকে ‘পরিত্যক্ত হারা’ বলে সমালোচনা করেন, যা শোনার সঙ্গে সঙ্গে কক্ষের পরিবেশ উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এই মন্তব্যের পর একটি আইনসভার সদস্য কক্ষ ত্যাগ করে, যা সাক্ষ্যের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়।

বন্ডি জোর দিয়ে বলেন, ফাইল প্রকাশের সময়সীমা আইন দ্বারা নির্ধারিত, এবং কোনো নাম বা ছবি অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ পেলে তা দ্রুত সংশোধন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এই কাজের জন্য তাদের দল সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।

সাক্ষ্যটি চার ঘণ্টা চলার পর শেষ হয়, যেখানে উভয় পক্ষেরই তীব্র বিতর্ক দেখা যায়। শিকারের উপস্থিতি, গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং বন্ডির প্রতিক্রিয়া সবই কংগ্রেসের এই সেশনের মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

এই সাক্ষ্য ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের ওপর তদারকি বাড়াতে পারে এবং শিকারের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য নতুন আইনগত নির্দেশনা প্রণয়নের সম্ভাবনা উন্মোচিত করে। কিছু আইনসভার সদস্য ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যা পরবর্তী সময়ে কংগ্রেসের এজেন্ডায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

৯৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিবিসি
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments