18 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিমির্জা আব্বাসের অভিযোগে এনসিপি ও জামাতের ভোটকেন্দ্র অনুপ্রবেশের চেষ্টা

মির্জা আব্বাসের অভিযোগে এনসিপি ও জামাতের ভোটকেন্দ্র অনুপ্রবেশের চেষ্টা

দ্বিতীয় পর্যায়ের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলাকালীন, ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস বুধবার রাত তার শাহীজাহানপুরের বাসায় সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি ও জামাতের কর্মীদের ভোটকেন্দ্র দখলের প্রচেষ্টা সম্পর্কে অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই কর্মকাণ্ডের লক্ষ্য নির্বাচনী ফলাফলকে প্রভাবিত করা।

মির্জা আব্বাসের মতে, ন্যাশনাল কনগ্রেস পার্টি (Ncp) ও জামাত-শিবিরের কর্মীরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, আরামবাগ ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় মেস, মাদরাসা এবং বাসা-বাড়িতে প্রায় দুইশ থেকে তিনশ জন সশস্ত্র ব্যক্তি উপস্থিত রয়েছে।

এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সক্রিয় উপস্থিতি নির্বাচনের প্রথম দিন সকালে কেন্দ্র দখলের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিচ্ছে, মির্জা আব্বাস সতর্কতা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, যদি এমন প্রবণতা অব্যাহত থাকে তবে ভোটগ্রহণের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিদ্ধেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়সহ অন্তত সাতটি ভোটকেন্দ্রে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা করা হয়েছে। মির্জা আব্বাস জানান, এসব প্রচেষ্টা স্থানীয় বিএনপি কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় প্রতিহত করা হয়েছে।

অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা কয়েকজনকে রমনা থানায় গ্রেফতার করা হয়, তবে পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গ্রেফতারকৃতদের মুক্তি পাওয়ার পেছনে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

মির্জা আব্বাসের বক্তব্যে আরও উঠে আসে, প্রতিপক্ষের কিছু কর্মী ভোটে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও কারচুপির পরিকল্পনা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, এমন কৌশলগুলো যদি সফল হয় তবে নির্বাচনের ফলাফল বিকৃত হতে পারে।

প্রার্থী উল্লেখ করেন, ভোটকেন্দ্র দখলের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।

মির্জা আব্বাসের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই সকল ধরনের ষড়যন্ত্রের সর্বোত্তম প্রতিরোধ। তিনি ভোটারদের সতর্কতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রার্থীর দাবি অনুযায়ী, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা কর্মীরা অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা সনাক্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। এই ধরনের তৎপরতা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে।

মির্জা আব্বাসের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা মূলত কেন্দ্রীয় দলীয় কর্মীদের দ্বারা সমন্বিত, যা স্থানীয় স্তরে গোপনীয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনার আহ্বান জানান।

প্রার্থী উল্লেখ করেন, ভোটের দিন নাগাদ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য পথগুলো বন্ধ করা জরুরি। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

শেষে মির্জা আব্বাস আশাবাদী যে, ভোটারদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোনো ধরনের কারচুপি বা অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। তিনি সকল ভোটারকে শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments