18 C
Dhaka
Thursday, February 12, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিনির্বাচন পূর্বে অনলাইন গুজবের সংখ্যা ৪৯টি, তিনটি ফ্যাক্ট‑চেক সংস্থা রেকর্ড করেছে

নির্বাচন পূর্বে অনলাইন গুজবের সংখ্যা ৪৯টি, তিনটি ফ্যাক্ট‑চেক সংস্থা রেকর্ড করেছে

২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, জাতীয় নির্বাচনের এক দিন আগে, অনলাইন পরিবেশে গুজবের বিস্তার রেকর্ড করা হয়। দ্য ডেইলি স্টার জানিয়েছে যে একই দিনে রাত ১২টা থেকে বিকাল ৭টা পর্যন্ত তিনটি ফ্যাক্ট‑চেক সংস্থা—Rumour Scanner, Dismislab এবং FactWatch BD—মোট ৪৯টি স্বতন্ত্র গুজবের উদাহরণ সংগ্রহ করেছে।

Rumour Scanner ৩৩টি, Dismislab ১২টি এবং FactWatch BD চারটি কেস তালিকাভুক্ত করেছে। এই সব কেসের বেশিরভাগই নির্বাচনী বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

গুজবের মূল থিমগুলোতে দেখা যায় দুটি প্রধান দল—বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (BNP) এবং জামাত‑ই‑ইসলাম—এককে অপরকে অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত করার প্রচেষ্টা। একই সঙ্গে উভয় দল একে অপরের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা হ্রাসের লক্ষ্য নিয়ে গুজব ছড়িয়ে দেয়।

অন্য একটি পুনরাবৃত্তি থিম হল নির্বাচনী হিংসা সম্পর্কিত দাবি, যেখানে পুরনো বা অপ্রাসঙ্গিক ভিডিওকে নতুন ঘটনার অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এই ধরনের গুজব ভোটারদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও ভয় বাড়াতে লক্ষ্য রাখে।

সামগ্রিকভাবে, নির্বাচনের তৎপরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যযুক্ত ভুল তথ্যের প্রবাহ তীব্রতর হয়েছে বলে বিশ্লেষণ করা যায়।

ফ্যাক্ট‑চেক করা কেসগুলোর মধ্যে ১৩টি সরাসরি BNP বা তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু, আর ১৩টি জামাত‑ই‑ইসলাম ও তার ছাত্র শাখা ছাত্র শিবিরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। ন্যাশনাল কাউন্টি পার্টি (NCP) দু’টি কেসে উল্লেখিত হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার এই তিনটি সংস্থার কাজ থেকে দশটি সবচেয়ে গুরুতর গুজবের উদাহরণ বেছে নিয়ে সংক্ষিপ্তসার প্রকাশ করেছে।

প্রথম উদাহরণে একটি নকল ফটোকার্ডে ছাত্র দল চাট্রা দাল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের মন্তব্য দেখানো হয়েছে যে, তার সংগঠন তারি্ক রহমানের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পরেও ‘না’ ভোট দেবে। ফ্যাক্ট‑চেক দেখায় যে এই বক্তব্য কোনো বাস্তব সূত্রে নয়, বরং একটি রসিকতা পোস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে।

সেই রসিকতা পোস্টটি ফেসবুকের একটি পেজে প্রকাশিত হয়েছিল, যার প্রোফাইল ছবিতে জামুনা টিভির লোগো ব্যবহার করা হয়েছে। এই পোস্টটি মূলত হাস্যকর উদ্দেশ্যে তৈরি, তবে গুজবের রূপে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

দ্বিতীয় উদাহরণে একটি নকল ফটোকার্ডে প্রাক্তন অভিভাবক সরকার প্রধান ফখরুদ্দিন আহমেদকে নির্বাচনের পূর্বে কোনো বিবৃতি দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এই কার্ডে জামুনা টিভির লোগো ব্যবহার করা হয়েছে, যা গুজবের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সহায়তা করেছে।

জামুনা টিভি এবং Dismislab উভয়ই নিশ্চিত করেছে যে এই ফটোকার্ডটি কখনো তাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে প্রকাশিত হয়নি এবং সম্পূর্ণভাবে কল্পিত।

এই ধরনের গুজবের বিস্তার ভোটারদের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে যখন নির্বাচন দিন নিকটবর্তী। গুজবের মূল লক্ষ্য হল ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অবিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি করা।

ফ্যাক্ট‑চেক সংস্থাগুলো আগামী দিনগুলোতেও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সতর্কতা বজায় রাখবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের সুপারিশ করবে।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments