22 C
Dhaka
Wednesday, February 11, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধসাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডে ১৪ বছর, তদন্তে আটজন সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডে ১৪ বছর, তদন্তে আটজন সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা শহরের পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাড়িতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার এবং মেহেরুন রুনি নিহত হন। দুজনের দেহ রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ঘটনাস্থলে তাদের চার বছর বয়সী পুত্র মাহির সরওয়ার মেঘও উপস্থিত ছিল।

সাগর সরওয়ার তখন মাছরাঙা টিভিতে কর্মরত ছিলেন, আর মেহেরুন রুনি এটিএন বাংলায় সংবাদ উপস্থাপন করতেন। হত্যার পরপরই রুনির বড় ভাই নওশের আলম ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশে মামলা দায়ের করেন।

প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্ব শেরেবাংলা নগর থানা পায়, তবে তিন দিন পরই মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তে হস্তান্তর করা হয়। ডিবি তদন্তে অগ্রগতি না দেখায়, ফলে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। র‌্যাবের তদন্তও ১২ বছর পার হওয়া সত্ত্বেও সম্পন্ন হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে, মামলাটিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ১৭ মাস পরও তদন্তের কোনো প্রতিবেদন জমা হয়নি, যা মামলাটির শিকার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গভীর হতাশা সৃষ্টি করেছে।

সাগর সরওয়ারের মা সালেহা মনির এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ করেছেন যে, তিনি সরকারে বড় আশা করেছিলেন, তবে এখন কোনো ফলাফল দেখছেন না। তিনি বলেন, “আমি তারিখ গুনছি, আর কিছুই হবে না” এবং ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন না আসার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এ পর্যন্ত মামলায় মোট আটজন সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের নাম হল রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, আবু সাঈদ, মিন্টু, কামরুল হাসান (অরুণ নামে পরিচিত), নিরাপত্তা প্রহরী এনাম, পলাশ রুদ্র পাল এবং রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমান।

গ্রেপ্তার সত্ত্বেও, এখনো কোনো আদালতিক রায় বা শেষমেশ দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে শাস্তি আরোপিত হয়নি। তদন্ত এখনও চলমান অবস্থায় রয়েছে, এবং মামলাটির অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

মামলাটি গৃহহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে ডিবি, র‌্যাব এবং অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত কাজের প্রয়োজন। তবে দীর্ঘ সময়ের পরও তদন্তের অগ্রগতি না হওয়ায় শিকার পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার অর্জন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কোনো নতুন সূত্র বা সাক্ষী প্রকাশিত হয়নি, ফলে মামলাটি এখনও অনির্ধারিত অবস্থায় রয়েছে। শিকার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যাশা করছেন যে, ভবিষ্যতে কোনো সরকারী উদ্যোগ বা আদালতের রায়ের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।

৯২/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: প্রথম আলো
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments